calendar_today বুধবার, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ • ৪ নভেম্বর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
‘জেন-জিদের রাষ্ট্র সংস্কারের আকাঙ্ক্ষা এখনো পূরণ হয়নি’: মাহমুদুর রহমান ◆ বাংলাদেশে রাজনৈতিক পরিচয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের শাস্তি, উদ্বিগ্ন এইচআরডব্লিউ ◆ বর্ণাঢ্য আয়োজনে পর্দা নামল ‘এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ ২০২৬’ ফুটবল টুর্নামেন্টের ◆ ইরানের রাষ্ট্রীয় টিভিতে পারমাণবিক হামলা থেকে বাঁচার নির্দেশনা ◆ রাজধানীতে বাসের ধাক্কায় অটোরিকশার ৪ যাত্রী নিহত, আহত ২ ◆ সুনামগঞ্জে সড়ক নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ, অপপ্রচারের প্রতিবাদ বিএনপির ◆ ফরিদপুরে কিশোরীর মৃত্যু ঘিরে ধর্ষণের অভিযোগ, মৃত্যুর আগে ভিডিওতে অভিযুক্তদের নাম ◆ ৬৩৬ কোটি ডলারের ক্রিপ্টো চুরি, সন্দেহের কেন্দ্রে লাজারাস গ্রুপ ◆ মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়াই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ◆ চিকিৎসা ও সহযোগিতার আবেদন নিয়ে সচিবালয়ের সামনে বিএনপি কর্মী ◆ টিন থাকলেই কি রিটার্ন দিতে হবে? বাতিলের নিয়ম জানুন ◆ ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির নতুন সদস্য সচিবকে সাবেক নেতাদের অভিনন্দন
home হোম / সারা বাংলা / মাঠকর্মীর বিদেশে পালানোর অভিযোগ গ্রাহকদের ২৬ লাখ টাকা আত্মসাৎ করে
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
সারা বাংলা বিশেষ প্রতিবেদন

মাঠকর্মীর বিদেশে পালানোর অভিযোগ গ্রাহকদের ২৬ লাখ টাকা আত্মসাৎ করে

চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক (পিএসবি) শাখার মাঠকর্মী আমেনা খাতুনের বিরুদ্ধে প্রায় ২৬ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। গ্রাহকদের অভিযোগ, টাকা আত্মসাতের পর তিনি বিদেশে পালিয়ে গেছেন।

person
জেলা প্রতিনিধি verified
News Reporter
schedule প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২ অক্টোবর ২০২৫ • বিকাল ০৩:৫৪
history আপডেট: ১ বছর আগে
timer ৪ মিনিট পড়ার সময়
visibility ১৫৫ বার পঠিত

অভিযোগ রয়েছে, এ ঘটনার পেছনে শাখার তৎকালীন ব্যবস্থাপক (সিনিয়র অফিসার) মুনিয়া সুলতানারও সহযোগিতা ছিল। গ্রাহকরা বলছেন, ব্যবস্থাপকের অনৈতিক সুযোগ-সুবিধা নিয়েই মাঠকর্মী আমেনা দীর্ঘদিন ধরে গ্রাহকদের টাকা জমা না করে আত্মসাৎ করতে পেরেছেন। 

সূত্র জানায়, ২০২১ সালের ৯ সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৪ সালের ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত মুনিয়া সুলতানা ওই শাখায় ব্যবস্থাপকের দায়িত্বে ছিলেন। এ সময় মাঠকর্মী আমেনা খাতুন অর্ধশতাধিক গ্রাহকের কাছ থেকে সংগ্রহ করা প্রায় ২৬ লাখ টাকা ব্যাংকে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করেন। পরে ২০২৩ সালের জুনে তিনি বিদেশে পালিয়ে যান।

এ ঘটনায় মুনিয়া সুলতানার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, তিনি মাঠকর্মী আমেনাকে অনৈতিক সুবিধা দিয়ে বিদেশে পালাতে সহায়তা করেছেন। যদিও ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে তাকে ফটিকছড়ি শাখায় বদলি করা হলেও শারীরিক অসুস্থতার অজুহাতে তিনি আগের কর্মস্থলেই থেকে যান। ওই বছরের ১ ফেব্রুয়ারি নতুন শাখা ব্যবস্থাপক ইমন হোসেন যোগদান করলেও এখনো একই শাখায় সিনিয়র অফিসার হিসেবে কর্মরত আছেন মুনিয়া সুলতানা। 

এ বিষয়ে গ্রাহক মিনু আক্তারের স্বামী সাইফুল ও আরেক ভুক্তভোগী শাহীন আক্তার অভিযোগ করেন, আমেনা খাতুন লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ করে পালিয়েছেন, এর দায় দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুনিয়া সুলতানা কোনোভাবেই এড়াতে পারেন না।

তবে মুনিয়া সুলতানা দাবি করেন, আমেনা খাতুনের শারীরিক অসুস্থতার কারণে তিনি কিছুটা ছাড় দিয়েছিলেন। কিন্তু এ ঘটনার জন্য তিনি পুরোপুরি দায়ী নন বলে জানান। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চাইলে সাংবাদিকদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেন তিনি।

পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের চট্টগ্রাম বিভাগের কর্মকর্তা আতিকুল ইসলাম হাসান বলেন, আমেনা খাতুন পালিয়ে যাওয়ার পর আমি দায়িত্বে এসেছি। তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শেষ হয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ শিগগিরই আইনি ব্যবস্থা নেবে।

একই শাখায় দুইজন সিনিয়র অফিসার কীভাবে দায়িত্ব পালন করছেন- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে মুনিয়া সুলতানাকে বদলি করা হয়েছিল। তবে শারীরিক অসুস্থতার কারণে তিনি আগের শাখাতেই রয়েছেন। প্রয়োজনে কর্তৃপক্ষ এক শাখায় একই পদবির একাধিক কর্মকর্তা রাখতে পারে।