calendar_today মঙ্গলবার, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ • ৩ নভেম্বর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
সুনামগঞ্জে সড়ক নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ, অপপ্রচারের প্রতিবাদ বিএনপির ◆ ফরিদপুরে কিশোরীর মৃত্যু ঘিরে ধর্ষণের অভিযোগ, মৃত্যুর আগে ভিডিওতে অভিযুক্তদের নাম ◆ ৬৩৬ কোটি ডলারের ক্রিপ্টো চুরি, সন্দেহের কেন্দ্রে লাজারাস গ্রুপ ◆ মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়াই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ◆ চিকিৎসা ও সহযোগিতার আবেদন নিয়ে সচিবালয়ের সামনে বিএনপি কর্মী ◆ টিন থাকলেই কি রিটার্ন দিতে হবে? বাতিলের নিয়ম জানুন ◆ ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির নতুন সদস্য সচিবকে সাবেক নেতাদের অভিনন্দন ◆ ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার হুঁশিয়ারি দিলেন ট্রাম্প ◆ ইরানে মার্কিন হামলার খবরে বিশ্ববাজারে বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম ◆ গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি নবায়নে আশাবাদী ঢাকা: শামা ওবায়েদ ◆ কুমিল্লায় ২৭ মামলার আসামি মইন্যা ডাকাত গ্রেপ্তার, সঙ্গে ছেলে ◆ লালপুরে পুকুরের পানিতে ডুবে একই গ্রামের দুই শিশুর মৃত্যু
home হোম / সারা বাংলা / মানুষের চিন্তাধারা খাদিজা বদলে দিয়েছেন
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
সারা বাংলা বিশেষ প্রতিবেদন

মানুষের চিন্তাধারা খাদিজা বদলে দিয়েছেন

নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার এক সাধারণ নারী আজ অনন্য এক অনুপ্রেরণার প্রতীক হয়ে উঠেছেন। তিনি খাদিজা বেগম। কৈমারী ইউনিয়নের সুনগর গ্রামের মৃত নজরুল ইসলামের স্ত্রী। এক সময় জীবনের কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হওয়া খাদিজা আজ নিজের...

person
জেলা প্রতিনিধি verified
News Reporter
schedule প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর ২০২৫ • দুপুর ০২:৩৬
history আপডেট: ১ বছর আগে
timer ৩ মিনিট পড়ার সময়
visibility ২৬৮ বার পঠিত


স্বামী মারা যাওয়ার পর ভেঙে পড়েছিলেন খাদিজা। একাকীত্বের সেই সময়টায় জীবনের অর্থ খুঁজে পেয়েছিলেন মাটির কাছাকাছি গিয়ে। শখের বশে পতিত জমিতে লাউ, কুমড়া, আর কিছু সবজি লাগিয়ে শুরু হয় তার কৃষিযাত্রা। সময়ের সঙ্গে সেই শখই পরিণত হয় আত্মনির্ভরতার পথে প্রথম পদক্ষেপ। তার ছেলে বিভিন্ন এলাকা থেকে নিয়ে আসে অ্যারাবিকা ও রোভাস্ট জাতের কফি গাছ এবং কিছু ড্রাগন ফলের চারা। সেই চারাগুলোই আজ তার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে। বর্তমানে খাদিজা বেগমের ৫ বিঘা জমিতে রয়েছে প্রায় ২৬০টি ড্রাগন গাছ, ২ হাজার কফি গাছ এবং আরও ২০ প্রজাতির ফলের গাছ। দূর থেকে দেখলে মনে হয় যেন শৈল্পিকভাবে সাজানো কোনো উদ্যান। কিন্তু কাছে গেলেই চোখে পড়ে ফলভরা শাখা আর যত্নে গড়া জীবনের গল্প।

নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানাতে গিয়ে খাদিজা বলেন, স্বামী মারা যাওয়ার পর সব কিছু ফাঁকা মনে হতো। তখন ভাবলাম, পতিত জমিগুলোকে যদি জীবনের নতুন আশ্রয় বানাতে পারি! সে থেকেই স্বপ্ন ও পরিশ্রম শুরু। এখন এই বাগানই আমার স্বপ্নসারথী, আমার সন্তানদের মতো। তিনি আরও বলেন, বর্তমানে এ বাগান থেকে বছরে ৬ লাখ টাকা আয় হচ্ছে। সামনে আরও কিছু নতুন ফল নিয়ে কাজ করতে চাই।

শুধু নিজের জীবনই নয়, এখন তিনি অন্যদেরও অনুপ্রাণিত করছেন। তার উদ্যোগ দেখে অনেক বেকার তরুণ-তরুণী এখন ড্রাগন ও কফি চাষে আগ্রহী হচ্ছেন। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, খাদিজার বাগান জলঢাকা উপজেলায় কৃষি উদ্ভাবনের এক নতুন অধ্যায় তৈরি করেছে। খাদিজা বেগম এখন শুধু একজন সফল উদ্যোক্তাই নন বরং তিনি এক সাহসী নারীর প্রতিচ্ছবি, যিনি প্রমাণ করেছেন, মন থেকে চাইলেই পতিত জমিও হয়ে উঠতে পারে জীবনের আশ্রয়, আর এক ফোঁটা মাটিতেও জন্ম নিতে পারে নতুন স্বপ্নের অঙ্কুর।