calendar_today বুধবার, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ • ৪ নভেম্বর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
বাংলাদেশে রাজনৈতিক পরিচয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের শাস্তি, উদ্বিগ্ন এইচআরডব্লিউ ◆ বর্ণাঢ্য আয়োজনে পর্দা নামল ‘এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ ২০২৬’ ফুটবল টুর্নামেন্টের ◆ ইরানের রাষ্ট্রীয় টিভিতে পারমাণবিক হামলা থেকে বাঁচার নির্দেশনা ◆ রাজধানীতে বাসের ধাক্কায় অটোরিকশার ৪ যাত্রী নিহত, আহত ২ ◆ সুনামগঞ্জে সড়ক নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ, অপপ্রচারের প্রতিবাদ বিএনপির ◆ ফরিদপুরে কিশোরীর মৃত্যু ঘিরে ধর্ষণের অভিযোগ, মৃত্যুর আগে ভিডিওতে অভিযুক্তদের নাম ◆ ৬৩৬ কোটি ডলারের ক্রিপ্টো চুরি, সন্দেহের কেন্দ্রে লাজারাস গ্রুপ ◆ মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়াই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ◆ চিকিৎসা ও সহযোগিতার আবেদন নিয়ে সচিবালয়ের সামনে বিএনপি কর্মী ◆ টিন থাকলেই কি রিটার্ন দিতে হবে? বাতিলের নিয়ম জানুন ◆ ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির নতুন সদস্য সচিবকে সাবেক নেতাদের অভিনন্দন ◆ ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার হুঁশিয়ারি দিলেন ট্রাম্প
home হোম / অর্থনীতি / রমজান বাজারে মূল্য বাড়ার আশঙ্কা,সাগরে ভাসছে ৬০০ ‘গুদাম’
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
অর্থনীতি বিশেষ প্রতিবেদন

রমজান বাজারে মূল্য বাড়ার আশঙ্কা,সাগরে ভাসছে ৬০০ ‘গুদাম’

রমজানকে সামনে রেখে দেশের বাজারে গম, চিনি, ডাল, সয়াবিনসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। দেশের ছয় বড় আমদানিকারকসহ একটি সিন্ডিকেট প্রায় ১০ লাখ টনের পণ্য লাইটার জাহাজে আটকে রেখে ‘ভাসমান গুদাম’...

person
বিশেষ প্রতিনিধি verified
Reporter
schedule প্রকাশ: রবিবার, ২৫ জানুয়ারি ২০২৬ • দুপুর ০১:২৬
history আপডেট: ৯ মাস আগে
timer ৪ মিনিট পড়ার সময়
visibility ৩৪৪ বার পঠিত

১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত বন্দরে অপেক্ষমাণ ১০৮টি জাহাজে ৪৫ লাখ টনের বেশি পণ্য ছিল। এর মধ্যে ১৭টি জাহাজে রমজান সংশ্লিষ্ট খাদ্যপণ্য—গম, ভুট্টা, ছোলা, ডাল ও ভোজ্যতেল—সংরক্ষিত রয়েছে। এছাড়া পাঁচটি জাহাজে ২ লাখ টনের বেশি চিনি রয়েছে। সাতটি জাহাজে সার, ২৫টি জাহাজে সিমেন্টের ক্লিংকার রয়েছে। লাইটারেজ সংকটে অনেক জাহাজ ২০-৩০ দিন পর্যন্ত খালাস করতে পারছে না।

 

ভাসমান গুদামের প্রকৃত কারণ নিয়ে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আমদানিকারকরা আগে নিজস্ব গুদাম বা ভাড়া করা গুদামে পণ্য রাখতেন। কিন্তু গত ১০ বছরের মধ্যে লাইটার জাহাজকে ভাসমান গুদাম হিসেবে ব্যবহার করার প্রবণতা বেড়েছে। এতে খরচ কম হয় এবং সরকারি-বেসরকারি সংস্থার নজর এড়িয়ে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করা যায়। বিশেষ করে রমজান সামনে রেখে পণ্য এনে লাইটার জাহাজ আটকে রাখার মাধ্যমে বাজারে দাম বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি হয়।

 

বিভিন্ন লজিস্টিক সংস্থার হাতে বর্তমানে ৬৩১টি লাইটার জাহাজ ভাসমান রয়েছে। এর মধ্যে এমএসটি মেরিন এন্টারপ্রাইজের ১৩৯টি, সমতা শিপিংয়ের ১০১টি, মডার্ন লজিস্টিকসের ৮০টি, টিএসটি গ্লোবালের ৭৮টি, এএনজে ট্রেডিংয়ের ৬১টি এবং অন্যান্য সংস্থার হাতে বাকি জাহাজগুলো রয়েছে। বিশেষ করে গমবাহী জাহাজ কমপক্ষে ১৮৬টি, মসুর ডালবাহী ৩০টি, ভুট্টাবাহী ৬০টি এবং সয়াবিন-সয়াবিন সিডবাহী ২৫টি জাহাজ ভাসমান অবস্থায় রয়েছে।

বন্দর কর্তৃপক্ষ এবং নৌপরিবহন অধিদপ্তর এই পরিস্থিতিতে দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছে। নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কমডোর শফিউল বারী স্বাক্ষরিত চিঠিতে ১৫ দিনের বেশি সময় ধরে লাইটার জাহাজে পণ্য সংরক্ষণের কড়া নির্দেশ দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট আমদানিকারকদের পাঁচ দিনের মধ্যে জরুরি ভিত্তিতে পণ্য খালাস করে লাইটার জাহাজ ছেড়ে দিতে বলা হয়েছে। নির্দেশনা মানা না হলে আইনানুগ ব্যবস্থা এবং ফৌজদারি মামলার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

 

গতকালই নৌপরিবহন অধিদপ্তরের ভ্রাম্যমাণ আদালত দুইটি লাইটার জাহাজকে ভাসমান গুদাম হিসেবে ব্যবহারের দায়ে ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে। এছাড়া আরও ২৭টি লাইটার জাহাজ পরিদর্শন করা হয়েছে এবং দ্রুত পণ্য খালাসের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ পদক্ষেপের মাধ্যমে আশা করা হচ্ছে, রমজান আগেই বাজারে খাদ্যপণ্য সরবরাহ স্বাভাবিক হবে এবং কৃত্রিম সংকট ও মূল্যস্ফীতি রোধ করা যাবে।