calendar_today বুধবার, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ • ৪ নভেম্বর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
‘জেন-জিদের রাষ্ট্র সংস্কারের আকাঙ্ক্ষা এখনো পূরণ হয়নি’: মাহমুদুর রহমান ◆ বাংলাদেশে রাজনৈতিক পরিচয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের শাস্তি, উদ্বিগ্ন এইচআরডব্লিউ ◆ বর্ণাঢ্য আয়োজনে পর্দা নামল ‘এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ ২০২৬’ ফুটবল টুর্নামেন্টের ◆ ইরানের রাষ্ট্রীয় টিভিতে পারমাণবিক হামলা থেকে বাঁচার নির্দেশনা ◆ রাজধানীতে বাসের ধাক্কায় অটোরিকশার ৪ যাত্রী নিহত, আহত ২ ◆ সুনামগঞ্জে সড়ক নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ, অপপ্রচারের প্রতিবাদ বিএনপির ◆ ফরিদপুরে কিশোরীর মৃত্যু ঘিরে ধর্ষণের অভিযোগ, মৃত্যুর আগে ভিডিওতে অভিযুক্তদের নাম ◆ ৬৩৬ কোটি ডলারের ক্রিপ্টো চুরি, সন্দেহের কেন্দ্রে লাজারাস গ্রুপ ◆ মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়াই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ◆ চিকিৎসা ও সহযোগিতার আবেদন নিয়ে সচিবালয়ের সামনে বিএনপি কর্মী ◆ টিন থাকলেই কি রিটার্ন দিতে হবে? বাতিলের নিয়ম জানুন ◆ ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির নতুন সদস্য সচিবকে সাবেক নেতাদের অভিনন্দন
home হোম / রাজনীতি / সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ যে কারণে নেননি রুমিন ফারহানা
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
রাজনীতি বিশেষ প্রতিবেদন

সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ যে কারণে নেননি রুমিন ফারহানা

সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্যরা। সরকারি দল বিএনপি এই শপথ নেয়নি। যা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা-সমালোচনা চলছে।

person
বিশেষ প্রতিনিধি verified
Reporter
schedule প্রকাশ: রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬ • বিকাল ০৩:৫২
history আপডেট: ৭ মাস আগে
timer ৪ মিনিট পড়ার সময়
visibility ২৮৬ বার পঠিত

সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেননি স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা।  

সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ না নেওয়া প্রসঙ্গে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা বলেছেন, যারা এই সংবিধানটা বাতিল করতে চাইতেন, তারা এটা ডে ওয়ানে করতে পারতেন। আপনারা পুরো বিষয়টিকে (জুলাই অভ্যুত্থান) বিপ্লব বলে একটা বিপ্লবী সরকার গঠন করে, তারপরে সংবিধানটাকে হয় সাসপেন্ড করতেন, না হলে বলতেন এই সংবিধান আর থাকবে না। আমরা একটা নতুন সংবিধান লিখব। 

সম্প্রতি আর জে কিবরিয়ার একটি শো’তে অংশ নিয়ে রুমিন ফারহানা এসব কথা বলেন।  

এই সংসদ সদস্য বলেন, আমি একদিন এই প্রশ্নটা তুলেছিলাম এটা কি অভ্যুত্থান না বিপ্লব। যদি এটা অভ্যুত্থান হয় তাহলে সংবিধান স্টিল ওয়ার্কিং। সংবিধান বলবৎ করছে এখনও। তাই যদি করে তাহলে প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শেখ হাসিনা থাকবেন, আছেন। অনেক কিছুই ওইভাবে চলবে। এই কথাগুলো তখন তীব্র পলিটিক্যিাল বিতর্কের জন্ম দেয়। কিন্তু এটা নিয়ে কনস্টিটিউশনাল ডিবেট হওয়া দরকার ছিল। কিন্তু সেটা হয়নি। সেটা না হয়ে আমি রুমিন ফারহানার ঘাঁড়ের ওপর পলিটিক্যাল কাঁদা ছোড়া-ছুড়ি হয়ে গেল।

রুমিন ফারহানা বলেন, আমি যেহেতু সংবিধান অনুযায়ী একটা শপথ নিয়েছি, সেটা অনুযায়ী সংবিধান সংশোধনের প্রক্রিয়াটা  সেই সংবিধানেই রয়ে গেছে। সো আমি গণপরিষদের শপথ সেই সংবিধান অনুযায়ী আর নিতে পারি না। এখানে একটা লিগ্যাল কনফ্লিক্ট হয়ে যায়।

নারী এই সংসদ সদস্য বলেন, এখন একটা প্রশ্ন হলো বিএনপি তাহলে কেন এই বিষয়টি অনেক আগেই পরিষ্কার করে নাই। তাহলে তো এটা বিএনপির তরফে একধরনের দ্বৈত দ্বিচারিতা, আর এক ধরনের প্রতারণা। এটা যারা ওই সংবিধান সংশোধন কমিটিতে ছিল, দিনের পর দিন বৈঠক করেছে, প্রধানমন্ত্রীসহ হ্যাঁ ভোটের পক্ষে ক্যাম্পেইন করেছে, তারপর তাদের এই রিটট্রেইট।   

রুমিন বলেন, বিএনপি দলগতভাবে তাদের সিদ্ধান্ত নেবে। আমি স্বতন্ত্র এমপি হিসেবে বা আইনজীবী হিসেবে আমার মতো করে সিদ্ধান্ত নেব। জামায়াত তাদের মতো করে সিদ্ধান্ত নেবে। কিন্তু বিএনপি সংবিধান সংস্কার পরিষদের ব্যাপারে আলোচনা করল, গণভোট হলো, হ্যাঁ ভোটের পক্ষে গেল, তারপরে তাদের সই না করার ব্যাখ্যাটা তাদেরকেই দিতে হবে।