calendar_today মঙ্গলবার, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ • ৩ নভেম্বর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
সুনামগঞ্জে সড়ক নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ, অপপ্রচারের প্রতিবাদ বিএনপির ◆ ফরিদপুরে কিশোরীর মৃত্যু ঘিরে ধর্ষণের অভিযোগ, মৃত্যুর আগে ভিডিওতে অভিযুক্তদের নাম ◆ ৬৩৬ কোটি ডলারের ক্রিপ্টো চুরি, সন্দেহের কেন্দ্রে লাজারাস গ্রুপ ◆ মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়াই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ◆ চিকিৎসা ও সহযোগিতার আবেদন নিয়ে সচিবালয়ের সামনে বিএনপি কর্মী ◆ টিন থাকলেই কি রিটার্ন দিতে হবে? বাতিলের নিয়ম জানুন ◆ ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির নতুন সদস্য সচিবকে সাবেক নেতাদের অভিনন্দন ◆ ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার হুঁশিয়ারি দিলেন ট্রাম্প ◆ ইরানে মার্কিন হামলার খবরে বিশ্ববাজারে বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম ◆ গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি নবায়নে আশাবাদী ঢাকা: শামা ওবায়েদ ◆ কুমিল্লায় ২৭ মামলার আসামি মইন্যা ডাকাত গ্রেপ্তার, সঙ্গে ছেলে ◆ লালপুরে পুকুরের পানিতে ডুবে একই গ্রামের দুই শিশুর মৃত্যু
home হোম / আন্তর্জাতিক / ট্রাম্পকে 'রেড লাইন' সতর্কবার্তা চীনের ইরানকে পূর্ণ সমর্থন জানিয়ে
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
আন্তর্জাতিক বিশেষ প্রতিবেদন

ট্রাম্পকে 'রেড লাইন' সতর্কবার্তা চীনের ইরানকে পূর্ণ সমর্থন জানিয়ে

চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী অ্যাডমিরাল ডং জুন এক বিশেষ কূটনৈতিক বার্তায় জানিয়েছেন যে, বেইজিং হরমুজ প্রণালীর পরিস্থিতির ওপর অত্যন্ত নিবিড় নজর রাখছে। তিনি স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেছেন যে, চীনা বাণিজ্যিক ও নৌ-যানগুলো কোনো বাধা...

person
বিশেষ প্রতিনিধি verified
Reporter
schedule প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ • দুপুর ১২:৪৯
history আপডেট: ৬ মাস আগে
timer ৬ মিনিট পড়ার সময়
visibility ৩৫৭ বার পঠিত

সম্প্রতি ইরানের আকাশসীমায় একটি মার্কিন এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হওয়ার ঘটনা এই উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প এক সংবাদ সম্মেলনে স্বীকার করেছেন যে, বিমানটি একটি কাঁধে রাখা হিট-সিকিং (তাপ শনাক্তকারী) ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে বিধ্বস্ত হয়েছে। ইরান দাবি করেছে যে তারা এই হামলায় একটি নতুন দেশীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করেছে, তবে এটি চীনের তৈরি কোনো প্রযুক্তি কি না তা নিয়ে জল্পনা চলছে। ট্রাম্প এই মিশনটিকে অত্যন্ত বিপজ্জনক বলে বর্ণনা করেছেন এবং মার্কিন বৈমানিকদের সাহসিকতার প্রশংসা করেছেন।

ওয়াশিংটনে চীনা দূতাবাসের পক্ষ থেকে ইরানকে অস্ত্র সরবরাহের যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। দূতাবাসের মুখপাত্র জানিয়েছেন যে, চীন একটি দায়িত্বশীল দেশ হিসেবে কখনোই সংঘাতরত কোনো পক্ষকে অস্ত্র দেয় না। তারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে ভিত্তিহীন অভিযোগ করা এবং অযথা উত্তেজনা ছড়ানো থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে। চীন মনে করে, এ ধরনের উসকানিমূলক বক্তব্য আলোচনার পরিবেশ নষ্ট করছে।



ইরান দীর্ঘকাল ধরে চীন ও রাশিয়ার সাথে মজবুত সামরিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বজায় রেখে চলেছে। ইউক্রেন যুদ্ধে ইরান রাশিয়াকে ড্রোন সরবরাহ করে সহায়তা করছে, আবার চীন ইরানের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে বড় অংকের তেল ক্রয় করছে। এই জোটবদ্ধ অবস্থান মূলত মার্কিন প্রভাবকে খর্ব করার একটি বৈশ্বিক প্রয়াস হিসেবে দেখা হচ্ছে।



বেইজিংয়ের সাম্প্রতিক এই কঠোর সুর এবং ইরানের প্রতি তাদের অটল সমর্থন বিশ্ব রাজনীতিতে চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাবেরই ইঙ্গিত দেয়। হরমুজ প্রণালী এখন আর কেবল একটি জলপথ নয়, বরং এটি পরাশক্তিদের দাবার চালের মূল ক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। সামনের দিনগুলোতে ইসলামাবাদের পরবর্তী আলোচনা এবং মার্কিন প্রশাসনের পদক্ষেপই নির্ধারণ করবে মধ্যপ্রাচ্য কি শান্তির পথে হাঁটবে না কি এক মহাপ্রলয়ংকারী যুদ্ধের দিকে এগোবে। 


ওয়াশিংটনে চীনা দূতাবাসের পক্ষ থেকে ইরানকে অস্ত্র সরবরাহের যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। দূতাবাসের মুখপাত্র জানিয়েছেন যে, চীন একটি দায়িত্বশীল দেশ হিসেবে কখনোই সংঘাতরত কোনো পক্ষকে অস্ত্র দেয় না। তারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে ভিত্তিহীন অভিযোগ করা এবং অযথা উত্তেজনা ছড়ানো থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে। চীন মনে করে, এ ধরনের উসকানিমূলক বক্তব্য আলোচনার পরিবেশ নষ্ট করছে।



ইরান দীর্ঘকাল ধরে চীন ও রাশিয়ার সাথে মজবুত সামরিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বজায় রেখে চলেছে। ইউক্রেন যুদ্ধে ইরান রাশিয়াকে ড্রোন সরবরাহ করে সহায়তা করছে, আবার চীন ইরানের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে বড় অংকের তেল ক্রয় করছে। এই জোটবদ্ধ অবস্থান মূলত মার্কিন প্রভাবকে খর্ব করার একটি বৈশ্বিক প্রয়াস হিসেবে দেখা হচ্ছে।



বেইজিংয়ের সাম্প্রতিক এই কঠোর সুর এবং ইরানের প্রতি তাদের অটল সমর্থন বিশ্ব রাজনীতিতে চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাবেরই ইঙ্গিত দেয়। হরমুজ প্রণালী এখন আর কেবল একটি জলপথ নয়, বরং এটি পরাশক্তিদের দাবার চালের মূল ক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। সামনের দিনগুলোতে ইসলামাবাদের পরবর্তী আলোচনা এবং মার্কিন প্রশাসনের পদক্ষেপই নির্ধারণ করবে মধ্যপ্রাচ্য কি শান্তির পথে হাঁটবে না কি এক মহাপ্রলয়ংকারী যুদ্ধের দিকে এগোবে।