calendar_today বুধবার, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ • ৪ নভেম্বর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
সুনামগঞ্জে সড়ক নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ, অপপ্রচারের প্রতিবাদ বিএনপির ◆ ফরিদপুরে কিশোরীর মৃত্যু ঘিরে ধর্ষণের অভিযোগ, মৃত্যুর আগে ভিডিওতে অভিযুক্তদের নাম ◆ ৬৩৬ কোটি ডলারের ক্রিপ্টো চুরি, সন্দেহের কেন্দ্রে লাজারাস গ্রুপ ◆ মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়াই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ◆ চিকিৎসা ও সহযোগিতার আবেদন নিয়ে সচিবালয়ের সামনে বিএনপি কর্মী ◆ টিন থাকলেই কি রিটার্ন দিতে হবে? বাতিলের নিয়ম জানুন ◆ ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির নতুন সদস্য সচিবকে সাবেক নেতাদের অভিনন্দন ◆ ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার হুঁশিয়ারি দিলেন ট্রাম্প ◆ ইরানে মার্কিন হামলার খবরে বিশ্ববাজারে বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম ◆ গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি নবায়নে আশাবাদী ঢাকা: শামা ওবায়েদ ◆ কুমিল্লায় ২৭ মামলার আসামি মইন্যা ডাকাত গ্রেপ্তার, সঙ্গে ছেলে ◆ লালপুরে পুকুরের পানিতে ডুবে একই গ্রামের দুই শিশুর মৃত্যু
home হোম / অর্থনীতি / ভোক্তা ঋণের অর্থ ছাড়ের অনুমতি দিল ডিজিটাল পদ্ধতিতে বাংলাদেশ ব্যাংক
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
অর্থনীতি বিশেষ প্রতিবেদন

ভোক্তা ঋণের অর্থ ছাড়ের অনুমতি দিল ডিজিটাল পদ্ধতিতে বাংলাদেশ ব্যাংক

অটো ঋণ, আবাসন ঋণ, ভোক্তা পণ্য ঋণ (কনজিউমার ডিউরেবল লোন) এবং পেশাজীবীদের জন্য ঋণের অর্থ ছাড়ে ডিজিটাল পদ্ধতি যুক্ত করার অনুমতি দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে প্রচলিত পে-অর্ডার ও চেকের পাশাপাশি সরাসরি ইলেকট্রনিক ফান্ড...

person
বিশেষ প্রতিনিধি verified
Reporter
schedule প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬ • সন্ধ্যা ০৬:৪৩
history আপডেট: ৪ মাস আগে
timer ৫ মিনিট পড়ার সময়
visibility ২৩০ বার পঠিত

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, ২০০৪ সালের ৩ নভেম্বর জারি করা বিআরপিডি সার্কুলার অনুযায়ী অটো ঋণ, ভোক্তা পণ্য ঋণ ও পেশাজীবীদের ঋণের অর্থ সঠিক কাজে ব্যবহারের নিশ্চয়তা এবং অর্থ অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার ঝুঁকি কমাতে বিক্রেতার অনুকূলে পে-অর্ডার বা চেকের মাধ্যমে অর্থ পরিশোধের বাধ্যবাধকতা ছিল। তবে বর্তমানে দেশের পেমেন্ট ব্যবস্থা দ্রুত ডিজিটাল হয়ে ওঠায় সেই ব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নতুন সুবিধা চালু করা হয়েছে।

 

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মতে, ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা চালু হলে— পরিচালন দক্ষতা বাড়বে; অর্থ নিষ্পত্তিতে বিলম্ব কমবে; কাগজভিত্তিক লেনদেনের খরচ কমবে; জালিয়াতির ঝুঁকি হ্রাস পাবে; তাৎক্ষণিক অর্থ স্থানান্তরের মাধ্যমে সম্পদ হস্তান্তর দ্রুত হবে; ব্যাংক, বিক্রেতা ও গ্রাহকদের জন্য আরও নিরাপদ ও সহজ লেনদেন ব্যবস্থা তৈরি হবে।

 

নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যাংকগুলো বিক্রেতা বা সরবরাহকারীর হিসাব যদি একই ব্যাংকে থাকে, তাহলে সরাসরি সেই হিসাবে অর্থ স্থানান্তর করতে পারবে। বিক্রেতার হিসাব অন্য কোনো তফসিলি ব্যাংকে থাকলে রিয়েল-টাইম গ্রস সেটেলমেন্ট (আরটিজিএস) ব্যবস্থার মাধ্যমে অর্থ পাঠাতে পারবে। এছাড়া কোনো অবস্থাতেই ঋণের অর্থ ঋণগ্রহীতার ব্যক্তিগত হিসাবে জমা দেওয়া যাবে না বা নগদ অর্থ প্রদান করা যাবে না, যদি না বিদ্যমান বিধিমালায় বিশেষভাবে অনুমোদন থাকে।

 

বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যাংকগুলোকে ডিজিটাল অর্থ ছাড় ব্যবস্থার ক্ষেত্রে কয়েক ধরনের ঝুঁকি মোকাবিলায় বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশ দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে— পরিচালন ঝুঁকি, জালিয়াতির ঝুঁকি, সাইবার নিরাপত্তা ঝুঁকি; তৃতীয় পক্ষের ঝুঁকি এবং ভুল বা অননুমোদিত অর্থ স্থানান্তরের ঝুঁকি।

 

এসব ঝুঁকি মোকাবিলায় ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ নীতিমালা, কার্যপ্রণালি ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কাঠামোয় প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। এ ছাড়া সঠিক বিক্রেতার কাছে অর্থ স্থানান্তরের সম্পূর্ণ দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট ব্যাংককেই বহন করতে হবে।

 

কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, নতুন এই ডিজিটাল অর্থ ছাড় ব্যবস্থা অতিরিক্ত একটি অনুমোদিত পদ্ধতি হিসেবে যুক্ত হলো। ২০০৪ সালের বিআরপিডি সাকুলার এবং পরবর্তী সময়ে এ বিষয়ে জারি করা অন্যান্য নির্দেশনার বাকি সব শর্ত অপরিবর্তিত থাকবে।

 

ব্যাংক খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, এই সিদ্ধান্তের ফলে খুচরা ঋণ বিতরণ প্রক্রিয়া আরও দ্রুত, স্বচ্ছ ও প্রযুক্তিনির্ভর হবে। একই সঙ্গে পে-অর্ডার ও চেকনির্ভর প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভরতা কমবে এবং ডিজিটাল ব্যাংকিং ব্যবস্থার সম্প্রসারণে নতুন গতি আসবে। বিশেষ করে গাড়ি, আবাসন ও ভোক্তা পণ্য কেনার ক্ষেত্রে গ্রাহকরা দ্রুত সেবা পাবেন এবং লেনদেন আরও নিরাপদ হবে।