নয়াদিল্লি অঞ্চলের এক জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ভারতীয় ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন ফৌজদারি অনধিকার প্রবেশ (Criminal Trespass)-এর ধারায় এ মামলাটি রুজু করা হয়েছে। এতে অন্তত ১০ জন সংসদ সদস্যের নাম উল্লেখ রয়েছে এবং তাঁদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে।
এর আগে, মঙ্গলবারে সংসদ ভবন থেকে নির্বাচন কমিশন অভিমুখে পদযাত্রা শুরু করে বিরোধী জোটের প্রতিনিধিরা। সে সময় পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে মিছিলটি আটকে দিলে সংঘর্ষের মতো পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। অনুমতি ছাড়া এবং ১৪৪ ধারা (বর্তমানে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৬৩ ধারা) অমান্য করে এই বিক্ষোভ করায় পুলিশ প্রায় ২৬০ জন বিক্ষোভকারীকে আটক করে, যাদের মধ্যে ১০ জন সংসদ সদস্যও ছিলেন।
এদিকে, পুলিশের বিরুদ্ধে তোপ দেগে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কংগ্রেস সংসদ সদস্য ইমরান মাসুদ। তিনি বলেন, “রাহুল গান্ধী দেশের লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা, তাঁর সঙ্গে আরও সংসদ সদস্যরা ছিলেন। তাঁরা কোথাও জোরপূর্বক প্রবেশ করেননি। দেশের সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো কারও ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়। আমরা নির্বাচন প্রধানের সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিলাম, কিন্তু কেউ আমাদের কথা শুনছে না। মামলা বা এফআইআর করে আমাদের থামানো যাবে না।” সূত্র: দ্য হিন্দু।