হরমুজ প্রণালীর ভবিষ্যৎসহ বেশ কিছু ইস্যুতে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা স্থবির হয়ে পড়া পরিস্থিতির মধ্যেই এই সফর অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
গত সোমবার ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেন, প্রণালীটিতে চলমান অনিশ্চয়তার জন্য ওয়াশিংটন দায়ী। তেলের ও গ্যাসের একটি প্রধান পরিবহন পথ হিসেবে পরিচিত এই প্রণালীটি মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনীর গত ফেব্রুয়ারিতে শুরু করা যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে অবরুদ্ধ করার চেষ্টা করে আসছে ইরান।
এখন পর্যন্ত ব্যর্থ হওয়া যুদ্ধবিরতির প্রচেষ্টাগুলোতে পাকিস্তান একটি গুরুত্বপূর্ণ মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করেছে। গত জুন মাসে দেশটি একটি স্বল্পমেয়াদী সমঝোতা স্মারক গঠনে সহায়তা করেছিল, যা তেহরানের মতে যেকোনো শান্তি চুক্তির ভিত্তি হওয়া উচিত।
জুন মাসের সেই চুক্তির পর সেনাপ্রধান অসীম মুনিরের এটি পঞ্চম তেহরান সফর।
যুক্তরাষ্ট্র গত সেপ্টেম্বর থেকে ইরানে আর কোনো বিমান হামলা না চালালেও যুদ্ধ আবার নতুন করে শুরু হওয়ার আশঙ্কায় ভুগছে দেশটি।
মঙ্গলবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ইসমাইল বাঘাই বলেন, "আমরা দিনরাত এই আশঙ্কা নিয়ে বাঁচছি এবং কথা বলার এই মুহূর্তেও আমরা এর সম্ভাবনা উড়িয়ে দিতে পারছি না।"
উল্লেখ্য, অসীম মুনিরের এই সফরের ঠিক আগের দিন গত সোমবার রাশিয়া পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ তেহরান সফর করেন।