চিলির প্রেসিডেন্ট হোসে আন্তোনিও কাস্ত জানান, লুলার সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে। অর্থনৈতিক সংহতি জোরদার এবং আঞ্চলিক সংগঠিত অপরাধ মোকাবিলায় দুই দেশের সহযোগিতা বাড়ানোর প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।
মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লাউদিয়া শেইনবাউম বলেন, গণতন্ত্রের জয় হোক, ব্রাজিলের জনগণ জয়ী হয়েছে। প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্ট সান্তিয়াগো পেনাও ব্রাজিলের জনগণকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আঞ্চলিক সংহতি ও উন্নয়নে দুই দেশের অভিন্ন কর্মসূচি রয়েছে এবং জনগণের কল্যাণে সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।
উরুগুয়ের প্রেসিডেন্ট ইয়ামান্দু ওরসি জানান, লুলার সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে এবং তিনি বিজয়ের জন্য অভিনন্দন জানিয়েছেন। নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে গণতন্ত্রের উদ্যাপন হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।
বলিভিয়ার প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো পাজ বলেন, বলিভিয়া ও ব্রাজিল প্রতিবেশী ও ভ্রাতৃপ্রতিম দেশ। অভিন্ন ইতিহাস ও চ্যালেঞ্জের কথা তুলে ধরে তিনি দুই দেশের সম্পর্ক আরও দৃঢ় করা এবং নতুন সুযোগ তৈরিতে একসঙ্গে কাজ করার প্রত্যাশা জানান।
কিউবার প্রেসিডেন্ট মিগেল দিয়াস-কানেল লুলার বিজয়কে ঐতিহাসিক হিসেবে বর্ণনা করেন। তাঁর ভাষ্য, এই ফল ব্রাজিলের জনগণের শান্তি, সার্বভৌমত্ব ও সামাজিক ন্যায়বিচারের পথে এগিয়ে যাওয়ার ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে।
পানামার প্রেসিডেন্ট হোসে রাউল মুলিনোও ব্রাজিলের জনগণ ও লুলাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। দুই দেশের স্বার্থে পারস্পরিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি। তথ্যসূত্র: রয়টার্স