calendar_today বুধবার, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ • ৪ নভেম্বর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
গবেষণা থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা: অধ্যাপক মতিনুর রহমানের নেতৃত্বে ইবির নতুন উদ্যোগ ◆ ‘জেন-জিদের রাষ্ট্র সংস্কারের আকাঙ্ক্ষা এখনো পূরণ হয়নি’: মাহমুদুর রহমান ◆ বাংলাদেশে রাজনৈতিক পরিচয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের শাস্তি, উদ্বিগ্ন এইচআরডব্লিউ ◆ বর্ণাঢ্য আয়োজনে পর্দা নামল ‘এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ ২০২৬’ ফুটবল টুর্নামেন্টের ◆ ইরানের রাষ্ট্রীয় টিভিতে পারমাণবিক হামলা থেকে বাঁচার নির্দেশনা ◆ রাজধানীতে বাসের ধাক্কায় অটোরিকশার ৪ যাত্রী নিহত, আহত ২ ◆ সুনামগঞ্জে সড়ক নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ, অপপ্রচারের প্রতিবাদ বিএনপির ◆ ফরিদপুরে কিশোরীর মৃত্যু ঘিরে ধর্ষণের অভিযোগ, মৃত্যুর আগে ভিডিওতে অভিযুক্তদের নাম ◆ ৬৩৬ কোটি ডলারের ক্রিপ্টো চুরি, সন্দেহের কেন্দ্রে লাজারাস গ্রুপ ◆ মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়াই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ◆ চিকিৎসা ও সহযোগিতার আবেদন নিয়ে সচিবালয়ের সামনে বিএনপি কর্মী ◆ টিন থাকলেই কি রিটার্ন দিতে হবে? বাতিলের নিয়ম জানুন
home হোম / সারা বাংলা / ২০৩ আসামি এখনও ধরাছোঁয়ার বাইরে কাশিমপুর জেল থেকে পালানো
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
সারা বাংলা বিশেষ প্রতিবেদন

২০৩ আসামি এখনও ধরাছোঁয়ার বাইরে কাশিমপুর জেল থেকে পালানো

গাজীপুরের কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়া ২০৩ জন আসামির কেউই এখনও কারাগারে ফেরত আসেনি। রোববার দুপুর পর্যন্ত পুলিশ কাউকে গ্রেফতারও করতে পারেনি। এছাড়া পালিয়ে যাওয়া আসামিদের ফিরিয়ে আনতে কারা...

person
জেলা প্রতিনিধি verified
News Reporter
schedule প্রকাশ: রবিবার, ১৮ আগস্ট ২০২৪ • বিকাল ০৪:৩৫
history আপডেট: ২ বছর আগে
timer ৭ মিনিট পড়ার সময়
visibility ৩৬ বার পঠিত

এদিকে পালিয়ে যাওয়া আসামিদের নাম পরিচয় ঠিকানা এবং ছবিসহ সমস্ত তালিকা পুলিশের কাছে দেওয়া আছে। পুলিশি তৎপরতা শুরু হলে আসামিদের গ্রেপ্তারের কার্যক্রম চলবে বলে জানিয়েছেন গাজীপুরের জেলা প্রশাসক আবুল ফাতে মোহাম্মদ সফিকুল ইসলাম।

কারারক্ষীদের গুলিতে নিহত আসামিরা হলেন- রাধেশ্যাম হরিজন, আফজাল হোসেন, আসলাম হোসেন ওরফে র‌্যাশ, স্বপন শেখ, ইমতিয়াজ পাভেল ও মো. জিন্নাহ। তাদের লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

কারা কর্তৃপক্ষ জানায়, ৬ আগষ্ট কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে অবস্থানরত বিভিন্ন ধরনের দুর্ধর্ষ বন্দি দাঙ্গা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। বিশৃঙ্খলা ও দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণে কারা বিধি অনুযায়ী প্রথমে সতর্ক করা হলেও তারা দাঙ্গা হাঙ্গামা চালিয়ে ২৫-৩০ কারারক্ষীকে গুরুতর আহত করে। এক পর্যায়ে তারা কারাগারের দেয়াল ভেঙে ফেলে এবং বৈদ্যুতিক পোল উপড়ে ফেলে মই বানিয়ে কারাগারের দেয়াল টপকে ২০৯ জন বন্দি পালিয়ে যায়। 

এ সময় বিশৃঙ্খলা ও দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণে কারা বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নিলে ৬ জন বন্দি নিহত হয়। ওই ঘটনার একদিন পরই গাজীপুর জেলা কারাগারের বন্দিরাও মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করে। দুটি কারাগারই বর্তমানে সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তারা কারাগারের সামনে কাটাতার ফেলে এবং সাজোয়া যান নিয়ে সেখানে অবস্থান করছে।

কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কারাগারের জেলার মো. লুৎফর রহমান বলেন, কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়া ২০৯ জনের মধ্যে ৬ জন গুলিতে মারা যায়। পলাতক আছে ২০৩ জন। এখন পর্যন্ত তাদের কোনো খোঁজা পাওয়া যায়নি বা কেউ ফিরে আসেনি। এ ঘটনায় জিএমপির কোনাবাড়ি থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

এদিকে বুধবার সকালে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে গিয়ে দেখা গেছে, কারাগারের মূল ফটকের প্রায় ৩-৪ ফুট দূরে কাটাতার ফেলে রাখা হয়েছে। কাটাতারের সামনে লেখা রয়েছে প্রবেশ নিষেধ। সেখানে বেশ কয়েকজন সেনা সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। তাদের সঙ্গে দুজন কারারক্ষীও রয়েছেন। জামিন প্রাপ্তদের বের করে নিয়ে এসে তাদের স্বজনদের কাছে বুঝিয়ে দেয়া হচ্ছে। 

কারা কর্তৃপক্ষ জানায়, শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে দেশ ছাড়ার পর সারা দেশে ১ থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত গ্রেফতার শিক্ষার্থী ও রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তির আদেশ দেওয়া হয়। এর পর থেকেই কারাগারগুলো থেকে তাদের পর্যায়ক্রমে মুক্তি দেওয়া হয়। এ সময় মাদক, জঙ্গি ও হত্যা মামলায় বন্দিরা কারাগারের ভেতরে মুক্তির দাবিতে বিদ্রোহ শুরু করে এবং কারাগার থেকে পালানোর চেষ্টা করে। 

এ সময় কারারক্ষীরা তাদের শান্ত করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। কারাগারের দেয়াল টপকে পালিয়ে যান ২০৩ বন্দি। পালিয়ে যাওয়ার সময় গুলিতে নিহত হন জঙ্গিসহ ৬ জন। পরে সেনাবাহিনীর অল্পসংখ্যক সদস্য তাদের নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করেন। এর মধ্যে উত্তেজনা আরও বেড়ে গেলে দুপুর দেড়টার দিকে অতিরিক্ত আরও সেনাসদস্য হেলিকপ্টারযোগে কারা অভ্যন্তরে এসে বন্দিদের নিয়ন্ত্রণ করেন।

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মাহবুব আলম বলেন, আন্দোলনের সময় গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ি, বাসনসহ বেশ কয়েকটি থানায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। এতে পুলিশের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। কয়েকদিন হয়েছে আমরা পুলিশি কার্যক্রম শুরু করেছি। এখন আমরা পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান শুরু করব।  

তিনি আরও বলেন, পলাতকদের মধ্যে জঙ্গি সদস্য আছে কি না, সেটি এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

গাজীপুর জেলা প্রশাসক আবুল ফাতে মোহাম্মদ সফিকুল ইসলাম বলেন, কারা কর্তৃপক্ষ পালিয়ে যাওয়া আসামিদের তালিকা পুলিশকে দিয়েছে। পুলিশ সেই তালিকা ধরে কাছ শুরু করবে। পালিয়ে যাওয়া আসামিদের গ্রেফতার করতে পুলিশের তৎপরতা শুরু করার জন্য বলা হয়েছে।

tag ট্যাগ: #111