calendar_today মঙ্গলবার, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ • ৩ নভেম্বর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
টিন থাকলেই কি রিটার্ন দিতে হবে? বাতিলের নিয়ম জানুন ◆ ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির নতুন সদস্য সচিবকে সাবেক নেতাদের অভিনন্দন ◆ ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার হুঁশিয়ারি দিলেন ট্রাম্প ◆ ইরানে মার্কিন হামলার খবরে বিশ্ববাজারে বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম ◆ গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি নবায়নে আশাবাদী ঢাকা: শামা ওবায়েদ ◆ কুমিল্লায় ২৭ মামলার আসামি মইন্যা ডাকাত গ্রেপ্তার, সঙ্গে ছেলে ◆ লালপুরে পুকুরের পানিতে ডুবে একই গ্রামের দুই শিশুর মৃত্যু ◆ পোশাকশিল্পকে ‘ষড়যন্ত্রকারীরা পরিস্থিতি উসকে দিয়ে ধ্বংসের পাঁয়তারা করছে’ ◆ আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিসে দালালবিরোধী অভিযান, ৭ জনের কারাদণ্ড ◆ হকারদের পুনর্বাসনেই হতে পারে শপিং মলের সংকটের সমাধান ◆ ‘আমার দেশ’ পত্রিকা ছেঁড়ার ঘটনায় ক্ষুব্ধ এনইসি, জানাল প্রতিবাদ ◆ ইসরাইলের নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের ফল নিয়ে অবস্থান স্পষ্ট করল
home হোম / আন্তর্জাতিক / সরায়েল থেকে যুক্তরাষ্ট্র কি সত্যিই ই দূরে সরে যাচ্ছে?
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
আন্তর্জাতিক বিশেষ প্রতিবেদন

সরায়েল থেকে যুক্তরাষ্ট্র কি সত্যিই ই দূরে সরে যাচ্ছে?

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত এবং ইরানকে ঘিরে কূটনৈতিক সমীকরণের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন...

person
বিশেষ প্রতিনিধি verified
Reporter
schedule প্রকাশ: সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬ • দুপুর ০২:১৭
history আপডেট: ৩ মাস আগে
timer ৪ মিনিট পড়ার সময়
visibility ১৭৫ বার পঠিত

বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে একটি স্থায়ী শান্তি চুক্তির চেষ্টা চালাচ্ছে। তেহরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, যেকোনো চুক্তির পূর্বশর্ত হলো দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক অভিযান বন্ধ করা। কিন্তু নেতানিয়াহু সরকার লেবাননে হামলা অব্যাহত রাখায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে কৌশলগত মতবিরোধ আরও প্রকট হয়েছে। খবর আল জাজিরার। 

গত মাসে প্রকাশিত একটি ফোনালাপের তথ্য অনুযায়ী, ট্রাম্প লেবাননে হামলা বন্ধ করতে অস্বীকৃতি জানানোয় নেতানিয়াহুকে তীব্র ভর্ৎসনা করেন।

প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ট্রাম্প নেতানিয়াহুকে ‘পাগল’ বলে উল্লেখ করেন এবং বলেন, আমি না থাকলে তুমি এখন জেলেই থাকতে। এখন সবাই তোমাকে ঘৃণা করে, এমনকি ইসরায়েলকেও।

সম্প্রতি অ্যাক্সিওসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, নেতানিয়াহু জানেন, বস কে। বিশ্লেষকদের মতে, এই মন্তব্য দুই নেতার সম্পর্কের অবনতির স্পষ্ট ইঙ্গিত বহন করে।

অন্যদিকে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সও ইসরায়েলি মন্ত্রীদের সতর্ক করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের করদাতাদের অর্থেই ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার বড় অংশ গড়ে উঠেছে, তাই ওয়াশিংটনের সিদ্ধান্তের সমালোচনায় সতর্ক থাকা উচিত।

সাম্প্রতিক জরিপে দেখা গেছে, শুধু ডেমোক্র্যাট নয়, রিপাবলিকানদের একটি অংশ এবং ট্রাম্পের ‘মেক আমেরিকা গ্রেট অ্যাগেইন’ আন্দোলনের অনেক সমর্থকও ইসরায়েলের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের অন্ধ সমর্থনের বিরোধিতা করছেন।

রিপাবলিকান কংগ্রেস সদস্য মার্জোরি টেইলর গ্রিন প্রকাশ্যে ইসরায়েলকে সামরিক সহায়তার সমালোচনা করেছেন।

এছাড়া সাবেক টেলিভিশন উপস্থাপক টাকার কার্লসন অভিযোগ করেন, ইসরায়েল ট্রাম্পকে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়িয়ে লেবাননে নতুন সংঘাতের পথ তৈরি করেছে।