calendar_today মঙ্গলবার, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ • ৩ নভেম্বর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
টিন থাকলেই কি রিটার্ন দিতে হবে? বাতিলের নিয়ম জানুন ◆ ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির নতুন সদস্য সচিবকে সাবেক নেতাদের অভিনন্দন ◆ ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার হুঁশিয়ারি দিলেন ট্রাম্প ◆ ইরানে মার্কিন হামলার খবরে বিশ্ববাজারে বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম ◆ গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি নবায়নে আশাবাদী ঢাকা: শামা ওবায়েদ ◆ কুমিল্লায় ২৭ মামলার আসামি মইন্যা ডাকাত গ্রেপ্তার, সঙ্গে ছেলে ◆ লালপুরে পুকুরের পানিতে ডুবে একই গ্রামের দুই শিশুর মৃত্যু ◆ পোশাকশিল্পকে ‘ষড়যন্ত্রকারীরা পরিস্থিতি উসকে দিয়ে ধ্বংসের পাঁয়তারা করছে’ ◆ আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিসে দালালবিরোধী অভিযান, ৭ জনের কারাদণ্ড ◆ হকারদের পুনর্বাসনেই হতে পারে শপিং মলের সংকটের সমাধান ◆ ‘আমার দেশ’ পত্রিকা ছেঁড়ার ঘটনায় ক্ষুব্ধ এনইসি, জানাল প্রতিবাদ ◆ ইসরাইলের নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের ফল নিয়ে অবস্থান স্পষ্ট করল
home হোম / জাতীয় / চীনের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর হবে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতিতে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
জাতীয় বিশেষ প্রতিবেদন

চীনের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর হবে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতিতে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতির ভিত্তিতে চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক আগামী দিনে আরও গভীর ও ফলপ্রসূ হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা অধ্যাপক রাশেদ আল...

person
বিশেষ প্রতিনিধি verified
Reporter
schedule প্রকাশ: রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬ • বিকাল ০৪:৩৯
history আপডেট: ৩ মাস আগে
timer ৮ মিনিট পড়ার সময়
visibility ২০৫ বার পঠিত

রোববার (২৬ জুলাই) বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক বিষয়ক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা ব‌লেন। তিতুমীর বলেন, জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন, ভারসাম্যপূর্ণ ও বাস্তববাদী পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করছে। একইসঙ্গে প্রতিবেশী কূটনীতি, দক্ষিণ-দক্ষিণ সহযোগিতা এবং সব অংশীদারের সঙ্গে গঠনমূলক সম্পর্ক জোরদারে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

উপদেষ্টা জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরে দুই দেশের মধ্যে কৌশলগত সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে। কূটনীতি ও প্রতিরক্ষা খাতে প্রস্তাবিত ‘২+২ সংলাপ’ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের প্রথম কৌশলগত সংলাপ দ্রুত আয়োজনের বিষয়ে বাংলাদেশ আশাবাদী।

বাংলাদেশের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা তুলে ধরে উপ‌দেষ্টা বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান অর্থনৈতিক সংকটের সময় জাতীয় স্বার্থভিত্তিক বাস্তববাদী অর্থনৈতিক কৌশল গ্রহণ করেছিলেন। পরে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে দারিদ্র্য হ্রাস ও অর্থনীতির কাঠামোগত পরিবর্তনে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়।

 

তিনি বলেন, বর্তমান সরকারও সেই ধারাবাহিকতায় অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার, সংস্কার ও পুনর্গঠনের মাধ্যমে ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে।

 

এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে উৎপাদনমুখী শিল্পায়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে তি‌নি বলেন, উৎপাদন শিল্প, অর্থনৈতিক অঞ্চল ও শিল্পপার্কে চীনা বিনিয়োগকে বাংলাদেশ বিশেষভাবে স্বাগত জানায়। পাশাপাশি মোংলা বন্দর আধুনিকায়ন, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং কানেক্টিভিটি বাড়িয়ে বাংলাদেশকে আঞ্চলিক লজিস্টিক হাবে পরিণত করার পরিকল্পনাও সরকারের রয়েছে।

 

তিতুমীর বলেন, বাংলাদেশ কোনো একক অংশীদারত্বে বিশ্বাস করে না বরং অন্তর্ভুক্তিমূলক সহযোগিতার মাধ্যমে পূর্ব এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপসহ বিভিন্ন অঞ্চলের সঙ্গে অংশীদারিত্ব জোরদার করতে চায়। জাতীয় স্বার্থ, শিল্পায়ন, অর্থনৈতিক আধুনিকায়ন এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের ভিত্তিতেই বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক আগামী দিনে আরও গভীর ও শক্তিশালী হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

Economics

 

ঢাকায় চীন দূতাবা‌সের সংস্কৃতি বিষয়ক কাউন্সেলর লি শাও ফেং ব‌লেন, বাংলাদেশের উন্নয়নে চীনের সহযোগিতা কোনো রাজনৈতিক শর্ত বা ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থে নয় বরং পারস্পরিক সম্মান, সমতা এবং উভয়ের লাভের নীতিতে পরিচালিত হয়।

 

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়নে চীন সহযোগিতা বাড়াচ্ছে উ‌ল্লেখ ক‌রে শাও ফেং ব‌লেন, চীন বাংলাদেশের সঙ্গে শিক্ষা, কারিগরি প্রশিক্ষণ, বিনিয়োগ, অবকাঠামো ও আঞ্চলিক সংযোগে সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণে প্রস্তুত। এছাড়া, আরও বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর জন্য উচ্চশিক্ষা, ভাষা শিক্ষা এবং দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ বাড়ানো হবে।

তি‌নি ব‌লেন, সাম্প্রতিক সফরে চীনা ভাষা শিক্ষা ও কারিগরি শিক্ষা সহযোগিতা নিয়ে দুটি গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়েছে। এর ফলে আরও বেশি বাংলাদেশি শিক্ষার্থী চীনে পড়াশোনা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণের সুযোগ পাবে।

রাজনৈতিক সংবাদ বিশ্লেষণ

 

তিনি আরও ব‌লেন, চীনা সরকারের বৃত্তি কর্মসূচির মাধ্যমে প্রতিবছর বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা উচ্চশিক্ষার সুযোগ পাচ্ছেন। পাশাপাশি কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট, চীনা ভাষা শিক্ষা, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে যৌথ গবেষণা এবং কারিগরি শিক্ষার সহযোগিতাও দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে।

 

শাও ফেং বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের সহযোগিতা এখন আর শুধু বড় বড় অবকাঠামো প্রকল্পে সীমাবদ্ধ নয়। এটি বিনিয়োগ, শিক্ষা, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সংযোগের দিকেও এগিয়ে যাচ্ছে।

 

তিনি বলেন, চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক করিডোর বাস্তবায়িত হলে এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে নতুন গতি আসবে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও নিজস্ব উন্নয়ন পথের প্রতি সম্মান জানায় চীন। বাংলাদেশের উন্নয়নে চীনের সহযোগিতা কোনো রাজনৈতিক শর্ত বা ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থের ভিত্তিতে নয়, বরং পারস্পরিক সম্মান, সমতা এবং উভয়ের লাভের নীতিতে পরিচালিত হয়।