তিনি বলেন, একতরফাভাবে কোনো সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া কিংবা প্রতারণার মাধ্যমে সমাধান চাপিয়ে দেওয়ার পথ বন্ধ হয়ে গেছে। শর্তগুলো পূরণ না হওয়া পর্যন্ত ইরান তার অবস্থান পরিবর্তন করবে না বলেও জানান গালিবাফ।
গালিবাফ আরও বলেন, যুদ্ধ ও কূটনৈতিক আলোচনা পরস্পরবিরোধী নয়। তার ভাষ্য, ইরান প্রয়োজন অনুযায়ী সামরিক প্রতিরোধ চালানোর পাশাপাশি উপযুক্ত সময়ে আলোচনাতেও বসবে।
এর আগে শনিবার ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব মোহসেন রেজাই জানিয়েছিলেন, কাতারের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্রের কাছে যুদ্ধ বন্ধ ও আলোচনায় ফেরার কয়েকটি শর্ত পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে সব ফ্রন্টে যুদ্ধ বন্ধ, ইরানের জব্দ অর্থ ছাড় এবং সমুদ্রপথে অবরোধ প্রত্যাহারের দাবি রয়েছে।
এদিকে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল এখনো স্বাভাবিক হয়নি। রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ সেপ্টেম্বরের আগের দিন মাত্র তিনটি বাণিজ্যিক জাহাজ প্রণালিটি পার হয়েছিল, যা ১০ দিনের গড়ের তুলনায় অনেক কম।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধ ও কূটনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই হরমুজ প্রণালি পুনরায় সচল করার বিষয়টি আলোচনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে। এর আগে ইরান ও ওমানের মধ্যে প্রণালিতে সীমিতভাবে নৌ চলাচল স্বাভাবিক করার একটি সমাধান নিয়ে আলোচনা হলেও আঞ্চলিক সমর্থনের অভাবে তা এগোয়নি। তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা, মেহর নিউজ, রয়টার্স