calendar_today বৃহস্পতিবার, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ • ৫ নভেম্বর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
ট্রাক-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নওগাঁয় শিক্ষার্থী নিহত ◆ পোশাকশ্রমিকরা কাজে ফিরছেন ◆ মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রভাব: বিশ্ববাজারে টানা চার দিন কমল জ্বালানি তেলের দাম ◆ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে বক্তব্যের জের: নাহিদ ইসলামকে আইনি নোটিশ ◆ প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে সরকারি গাছ কাটার মহোৎসব: উজিরপুর উপজেলায় তোলপাড় ◆ দেশে স্বর্ণের দামে বড় লাফ, ভরিতে বাড়ল ৫৪৮২ টাকা ◆ ইরানকে সহায়তার দায়ে ভারত ও তুরস্কের একাধিক কোম্পানির ওপর নিষেধাজ্ঞা ◆ মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চলে তৈরি হবে জ্বালানি অবকাঠামো, প্রধানমন্ত্রী ◆ জামজামী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী পলাশ আহমেদকে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ব্যঙ্গাত্মক পোস্ট ◆ গবেষণা থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা: অধ্যাপক মতিনুর রহমানের নেতৃত্বে ইবির নতুন উদ্যোগ ◆ ‘জেন-জিদের রাষ্ট্র সংস্কারের আকাঙ্ক্ষা এখনো পূরণ হয়নি’: মাহমুদুর রহমান ◆ বাংলাদেশে রাজনৈতিক পরিচয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের শাস্তি, উদ্বিগ্ন এইচআরডব্লিউ
home হোম / আইন-আদালত / আদালতে মিল্টন সমাদ্দার যা জানালেন
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
আইন-আদালত বিশেষ প্রতিবেদন

আদালতে মিল্টন সমাদ্দার যা জানালেন

মৃত্যু সনদ জালিয়াতির মামলায় চাইল্ড অ্যান্ড ওল্ড এইজ কেয়ার আশ্রমের চেয়ারম্যান মিল্টন সমাদ্দারের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২ মে) ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তোফাজ্জল হোসেনের...

person
স্টাফ রিপোর্টার verified
Junior Reporter
schedule প্রকাশ: শনিবার, ৪ মে ২০২৪ • বিকাল ০৩:০৮
history আপডেট: ২ বছর আগে
timer ৬ মিনিট পড়ার সময়
visibility ১৮১ বার পঠিত

এদিন মিল্টন সমাদ্দারকে আদালতে হাজির করে মিরপুর মডেল থানায় দায়ের করা মামলায় সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর জোনাল টিমের উপ-পরিদর্শক মোহাম্মদ কামাল হোসেন। মিল্টন সমাদ্দারের পক্ষে রিমান্ড বাতিল ও জামিন চেয়ে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম শিকদার। শুনানি শেষে ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তোফাজ্জল হোসেনের আদালত রিমান্ডের আদেশ দেন।

এ সময় বিচারক আশ্রম সম্পর্কে জানতে চান। মিল্টন সমাদ্দার জানান, চাইল্ড অ্যান্ড ওল্ড এইজ কেয়ার আশ্রমের কার্যক্রম শুরু হয় ২০১৪ সালে। এক বছর পর সমাজসেবা অধিদপ্তরে লাইসেন্সের জন্য আবেদন করেন তিনি। ২০১৮ সালে আশ্রমের কার্যক্রম পরিচালনার লাইসেন্স পান। আশ্রমটিকে কেন্দ্র করে দুটি লাইসেন্স করা হয়। একটি ফাউন্ডেশনের, আরেকটি সমাজকল্যাণের লাইসেন্স। সমাজকল্যাণের লাইসেন্সে হতদরিদ্রদের আশ্রয়, সেবা দেওয়া ও চিকিৎসার বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত।

এ সময় বিচারক চিকিৎসার জন্য আশ্রমে কী কী ব্যবস্থা আছে, জানতে চাইলে মিল্টন সমাদ্দার বলেন, চিকিৎসার জন্য আলাদা কোনো ব্যবস্থা নেই।

তিনি জানান, এ পর্যন্ত আশ্রমে ১৩৫ জন মারা গেছেন। তাদেরকে কবরস্থ করার রশিদও আছে। মৃতদের কবর দেওয়ার বিষয়ে একাধিক মন্ত্রণালয়ে ও প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও কোনো সহযোগিতা পাননি। এ বিষয়ে উচ্চ আদালতের নির্দেশনা থাকলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো উদ্যোগ গ্রহণ না করায় আশ্রমের নিজস্ব অর্থায়নে মৃতদের কবরস্থ করা হয়।

বর্তমানে আশ্রমে ২৫৬ জন অসহায় মানুষ অবস্থান করছেন। তাদের সবাই বেওয়ারিশ। ছয়জন গর্ভবতী মহিলাও আছেন। তাদের দেখভাল করার জন্য একজন ডাক্তার আছেন। গর্ভবতী নারীদের পাশের একটি বেসরকারি হাসপাতালে সিজার করানো হয় আশ্রমের নিজস্ব অর্থায়নে। আশ্রমে বেওয়ারিশ লোক ছাড়া অন্য কারও থাকার সুযোগও নেই বলে আদালতকে জানান মিল্টন সমাদ্দার।

ডেথ সার্টিফিকেটের বিষয়ে জানতে চাইলে মিল্টন সমাদ্দার জানান, যাদের নাম-ঠিকানা পাওয়া যায় না, তাদের কবরস্থ করার জন্য সার্টিফিকেট ইস্যু করা হয়। এর বাইরে অন্য কোনো উদ্দেশ্য নেই। কোনোটাতেই তার স্বাক্ষর নেই। কর্মকর্তা-কর্মচারীরা স্বাক্ষর করে থাকেন।

সার্টিফিকেটে কী লেখা থাকে, জানতে চাইলে তিনি বলেন, কী কারণে লোকটি মারা গেছে, সেটাই লেখা থাকে। 

মৃত্যুর কারণ কীভাবে নিশ্চিত হন, এমন প্রশ্নের জবাবে মিল্টন বলেন, আমাদের একজন ডাক্তার আছেন। তিনি যখন তাদের দেখে যান, কার কী সমস্যা, সেটা উল্লেখ করা থাকে। তার কী কী রোগ ছিল, সার্টিফিকেটও লেখা হয় সেটার ওপর ভিত্তি করে। ডাক্তার পরিচয়ে কোনোদিন কোনো কাগজে স্বাক্ষর করিনি। 

এ সময় তিনি একটা সুযোগ চান, যাতে চিকিৎসক নিয়োগ দিয়ে আশ্রমটি ভালোভাবে চালাতে পারেন।

আয়-ব্যয়ের বিষয়ে তিনি জানান, অডিট ফার্ম ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে অডিট করা হয়। ২০১৭ সাল থেকে আয়-ব্যয়ের হিসাব সংরক্ষণ করা আছে।

tag ট্যাগ: #1111