calendar_today বৃহস্পতিবার, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ • ৫ নভেম্বর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
ট্রাক-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নওগাঁয় শিক্ষার্থী নিহত ◆ পোশাকশ্রমিকরা কাজে ফিরছেন ◆ মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রভাব: বিশ্ববাজারে টানা চার দিন কমল জ্বালানি তেলের দাম ◆ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে বক্তব্যের জের: নাহিদ ইসলামকে আইনি নোটিশ ◆ প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে সরকারি গাছ কাটার মহোৎসব: উজিরপুর উপজেলায় তোলপাড় ◆ দেশে স্বর্ণের দামে বড় লাফ, ভরিতে বাড়ল ৫৪৮২ টাকা ◆ ইরানকে সহায়তার দায়ে ভারত ও তুরস্কের একাধিক কোম্পানির ওপর নিষেধাজ্ঞা ◆ মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চলে তৈরি হবে জ্বালানি অবকাঠামো, প্রধানমন্ত্রী ◆ জামজামী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী পলাশ আহমেদকে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ব্যঙ্গাত্মক পোস্ট ◆ গবেষণা থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা: অধ্যাপক মতিনুর রহমানের নেতৃত্বে ইবির নতুন উদ্যোগ ◆ ‘জেন-জিদের রাষ্ট্র সংস্কারের আকাঙ্ক্ষা এখনো পূরণ হয়নি’: মাহমুদুর রহমান ◆ বাংলাদেশে রাজনৈতিক পরিচয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের শাস্তি, উদ্বিগ্ন এইচআরডব্লিউ
home হোম / সারা বাংলা / তামিম‘পতাকা হাতে দাঁড়িয়ে ছিল , গুলিতে লুটিয়ে পড়ে মাটিতে’
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
সারা বাংলা বিশেষ প্রতিবেদন

তামিম‘পতাকা হাতে দাঁড়িয়ে ছিল , গুলিতে লুটিয়ে পড়ে মাটিতে’

‘১৮ জুলাই নরসিংদী শহরের জেলখানা মোড়ে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন চলছিল। সে সময় তাহমিদ ভূঁইয়া তামিম হাতে পতাকা নিয়ে আমাদের সঙ্গে দাঁড়িয়ে ছিল। হঠাৎ চারদিক থেকে গুলিবর্ষণ শুরু হয়। কোন ফাঁকে তার শরীরে গুলি লাগে সেটা...

person
বিশেষ প্রতিনিধি verified
Reporter
schedule প্রকাশ: রবিবার, ২৮ জুলাই ২০২৪ • সকাল ১০:৪৫
history আপডেট: ২ বছর আগে
timer ৩ মিনিট পড়ার সময়
visibility ২৩৮ বার পঠিত

জানা যায়, নিহত তাহমিদ ভূঁইয়া তামিম নাছিমা কাদির মোল্লা হাইস্কুল অ্যান্ড হোমসের শিক্ষার্থী ছিল। পল্লীচিকিৎসক বাবা ও গৃহিণী মায়ের তিন সন্তানের মধ্যে সে সবার বড় ছিল। তামিমের ১৩ ও ৩ বছর বয়সী দুটি বোন রয়েছে।

তামিমের বাবা রফিবুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনার দিন দুপুরে পরিবারের সবাই একসঙ্গে খাওয়া-দাওয়া করি। হঠাৎ তামিম বাসা থেকে বের হয়ে যায়। পরে ওকে খুঁজতে বের হই। সে সময় কয়েকজন জানায়, তামিম জেলখানা মোড়ের দিকে গেছে। তখনই বুকের ভেতরে চিপ দিয়ে উঠে। কারণ সেখানে আন্দোলন চলছিল। ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় দশ মিনিটের মতো ছেলেকে খুঁজেছি। কিন্তু পাইনি।’

‘পরে এসপি অফিসের দিকে যখন যাই তখন দেখি, একটি ছেলে স্ট্রেচারে শুয়ে আছে। প্রথমে বুঝতে পারিনি সেটা তামিম। একটু কাছে গিয়ে দেখি আমার ছেলের মুখ। তখন মনে হচ্ছিল, পুরো আকাশ আমার মাথায় ভেঙে পড়েছে। পাগলের মতো ছুটে যাই ছেলের দিকে। কিন্তু, কয়েকজন শিক্ষার্থী আমাকে ধরে মসজিদের ভেতরে নিয়ে যায়। সে সময় গোলাগুলি শুরু হয়। আমার মৃত ছেলের শরীরে অনবরত গুলি লাগতে থাকে।’ - যোগ করেন তিনি।

রফিকুল ইসলাম আরও বলেন, ‘গোলাগুলি থামার পর ছেলের মরদেহ বাসায় নিয়ে আসি। কখনো কল্পনাও করিনি, আমার সুস্থ সবল ছেলেকে এই অবস্থায় বাসায় নিয়ে আসতে হবে।’

নরসিংদী জেলা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মিজানুর রহমান বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা তামিমকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসে। তারপরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। মরদেহ ময়নাতদন্ত করার জন্য রাখতে চেয়েছিলাম কিন্তু শিক্ষার্থীরা তা করতে দেয়নি। মারা গেছে শোনার পরই হাসপাতালে ভাঙচুর চালায়।’

tag ট্যাগ: #111