calendar_today শুক্রবার, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ • ৬ নভেম্বর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
ট্রাক-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নওগাঁয় শিক্ষার্থী নিহত ◆ পোশাকশ্রমিকরা কাজে ফিরছেন ◆ মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রভাব: বিশ্ববাজারে টানা চার দিন কমল জ্বালানি তেলের দাম ◆ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে বক্তব্যের জের: নাহিদ ইসলামকে আইনি নোটিশ ◆ প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে সরকারি গাছ কাটার মহোৎসব: উজিরপুর উপজেলায় তোলপাড় ◆ দেশে স্বর্ণের দামে বড় লাফ, ভরিতে বাড়ল ৫৪৮২ টাকা ◆ ইরানকে সহায়তার দায়ে ভারত ও তুরস্কের একাধিক কোম্পানির ওপর নিষেধাজ্ঞা ◆ মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চলে তৈরি হবে জ্বালানি অবকাঠামো, প্রধানমন্ত্রী ◆ জামজামী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী পলাশ আহমেদকে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ব্যঙ্গাত্মক পোস্ট ◆ গবেষণা থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা: অধ্যাপক মতিনুর রহমানের নেতৃত্বে ইবির নতুন উদ্যোগ ◆ ‘জেন-জিদের রাষ্ট্র সংস্কারের আকাঙ্ক্ষা এখনো পূরণ হয়নি’: মাহমুদুর রহমান ◆ বাংলাদেশে রাজনৈতিক পরিচয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের শাস্তি, উদ্বিগ্ন এইচআরডব্লিউ
home হোম / সারা বাংলা / মুখ মলিন ফুল চাষিদের
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
সারা বাংলা বিশেষ প্রতিবেদন

মুখ মলিন ফুল চাষিদের

আজ বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। এ মাসেই আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। বিশেষ এ দিনগুলোতে ব্যস্ত সময় পার করেন বিভিন্ন এলাকার ফুল চাষিরা। নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের চাষিরাও এর ব্যতিক্রম নন। বাগান থেকে ফুল তোলা আর বেচাকেনায় দম ফেলার যেন...

person
বিশেষ প্রতিনিধি verified
Reporter
schedule প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ • সকাল ১১:৫৭
history আপডেট: ৩ বছর আগে
timer ৪ মিনিট পড়ার সময়
visibility ৫৮ বার পঠিত

রূপগঞ্জে এক যুগ ধরে ফুলের চাষ করেন মিয়াবাড়ির নাঈম মিয়া, দীঘিরপাড় এলাকার অতুল মণ্ডল, সাধন মণ্ডল, শহিদুল্লাহ, মুইরাব এলাকার পেয়ার আলী, নজু মিয়া, সোলমান, জালু এবং পোরাব এলাকার নুরুল মিয়া। পিয়ার আলী জানান, এবার তিন বিঘা জমিতে চেরি আর চায়না গাঁদা চাষ করেছেন তিনি। আর দুই বিঘা জমিতে গাজরা (কাঠবেলি) চাষ করেছেন। তিনি বলেন, ‘ফুল চাষে খরচ বেশি হইছে। দাম না থাহায় ৬০ হাজার টেহা (টাকা) লোকসান অইবো। ১২ বছর ধইরা ফুল চাষ করতাছি, এমন অবস্থা কোনো সময় অয় নাই।’

নজরুল ইসলাম নজু মিয়া নামের এক চাষির অভিযোগ, স্থানীয় কৃষি অফিস সহযোগিতা করলে ভালো করতে পারতাম। আরো নানা জাতের ফুল চাষ করা যেত। কৃষি অফিসাররা কখনো এলাকায় আসেননি। এ ছাড়া সরকার ব্যাংকের মাধ্যমে ফুল চাষিদের ঋণ দিয়ে সহযোগিতা করলেও চাষিরা লাভবান হতেন।

ফুল চাষি নাঈম জানান, এ বছর নিজের জমি, লিজসহ ১৫ বিঘা জমিতে ৯টি ফুলের বাগান করেছেন তিনি। কাঠবেলি ১০ বিঘা, চেরি দুই বিঘা, গাঁদা দুই বিঘা ও আলমেন্দা ফুলের চাষ করেছেন দুই বিঘা জমিতে। এ বছর ফুল চাষে দ্বিগুণ খরচ হয়েছে তাঁর। প্রতিবছর আট থেকে দশ লাখ টাকা লাভ হলেও এবার তিনি চার থেকে পাঁচ লাখ টাকা লোকসানের আশঙ্কা করছেন।

নাঈম জানান, ৪০ জন নারী শ্রমিক তাঁর বাগানে প্রতিদিন ফুলের মালা তৈরি করেন। প্রত্যেক শ্রমিক ১০০ মালার মজুরি পান ৩৫ থেকে ৪০ টাকা। প্রতিদিন একজন শ্রমিক ৩০০ থেকে ৪০০ মালা তৈরি করতে পারেন। এ ছাড়া তিনি নিজের বাগানেই ফুলের চারা উৎপাদন করেন। বীজও সংরক্ষণ করেন।

রূপগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফাতেহা নুর বলেন, ‘ফুল চাষিরা পরামর্শ চাইলে অব্যশই পরামর্শ দিয়ে থাকি।’

রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফয়সাল হক জানান, ফুল চাষিদের পর্যাপ্ত আধুনিক প্রশিক্ষণ, ফুলের সংরক্ষণ, পরিবহন, প্যাকেজিং ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ, তাঁদের সহজ শর্তে ঋণ প্রদানসহ যথাযথ সহযোগিতা করা গেলে চাষিরা জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারবেন।

tag ট্যাগ: #1111