calendar_today বৃহস্পতিবার, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ • ৫ নভেম্বর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
জামজামী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী পলাশ আহমেদকে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ব্যঙ্গাত্মক পোস্ট ◆ গবেষণা থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা: অধ্যাপক মতিনুর রহমানের নেতৃত্বে ইবির নতুন উদ্যোগ ◆ ‘জেন-জিদের রাষ্ট্র সংস্কারের আকাঙ্ক্ষা এখনো পূরণ হয়নি’: মাহমুদুর রহমান ◆ বাংলাদেশে রাজনৈতিক পরিচয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের শাস্তি, উদ্বিগ্ন এইচআরডব্লিউ ◆ বর্ণাঢ্য আয়োজনে পর্দা নামল ‘এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ ২০২৬’ ফুটবল টুর্নামেন্টের ◆ ইরানের রাষ্ট্রীয় টিভিতে পারমাণবিক হামলা থেকে বাঁচার নির্দেশনা ◆ রাজধানীতে বাসের ধাক্কায় অটোরিকশার ৪ যাত্রী নিহত, আহত ২ ◆ সুনামগঞ্জে সড়ক নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ, অপপ্রচারের প্রতিবাদ বিএনপির ◆ ফরিদপুরে কিশোরীর মৃত্যু ঘিরে ধর্ষণের অভিযোগ, মৃত্যুর আগে ভিডিওতে অভিযুক্তদের নাম ◆ ৬৩৬ কোটি ডলারের ক্রিপ্টো চুরি, সন্দেহের কেন্দ্রে লাজারাস গ্রুপ ◆ মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়াই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ◆ চিকিৎসা ও সহযোগিতার আবেদন নিয়ে সচিবালয়ের সামনে বিএনপি কর্মী
home হোম / আন্তর্জাতিক / ভারত ‘অপারেশন সিঁদুর’ সম্পর্কে বিস্তারিত জানাল
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
আন্তর্জাতিক বিশেষ প্রতিবেদন

ভারত ‘অপারেশন সিঁদুর’ সম্পর্কে বিস্তারিত জানাল

সম্প্রতি পাকিস্তানের বিরুদ্ধে পরিচালিত সামরিক অভিযান ‘অপারেশন সিঁদুর’ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেছে ভারত। রোববার (১১ মে) সন্ধ্যায় এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলা সংবাদ সম্মেলনে ভারতীয় সেনাবাহিনীর ‘ডিরেক্টর জেনারেল অফ...

person
বিশেষ প্রতিনিধি verified
Reporter
schedule প্রকাশ: সোমবার, ১২ মে ২০২৫ • দুপুর ০১:১৪
history আপডেট: ১ বছর আগে
timer ৬ মিনিট পড়ার সময়
visibility ১২৬ বার পঠিত

সাংবাদিক বৈঠকে বলা হয়েছে, পাকিস্তানি সেনা বা সীমান্তের ওপারের বাসিন্দাদের সঙ্গে ভারতের কোনও লড়াই নেই। ভারতের লড়াই সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে। যেসব সন্ত্রাসীকে নিধনের পরিকল্পনা করা হয়েছিল, তাদের হত্যা করা হয়েছে। কিন্তু এর পরেও পাকিস্তান হামলা চালিয়েছে, যার ফলে ভারতকে জবাব দিতে হয়েছে। 

ওই হামলার পরে পাকিস্তানি সেনাঘাঁটিকে লক্ষ্য করে আঘাত হানে ভারতীয় সেনারাও। তবে কোনও সাধারণ নাগরিকের যাতে প্রাণহানি না-ঘটে, সে দিকটিও নিশ্চিত করার চেষ্টা হয়। পাক হামলার পরে ভারতও পাকিস্তানের বেশ কিছু বিমানঘাঁটি, কমান্ড সেন্টার এবং অনান্য সামরিক ঘাঁটিতে আঘাত করে।  আঘাত করে পাকিস্তানের ওয়েস্টার্ন ফ্রন্টের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাতেও। পাকিস্তানের যে সামরিক ঘাঁটিগুলোতে আঘাত করেছে, তার মধ্যে ইসলামাবাদ সংলগ্ন এলাকাও রয়েছে। 

এয়ার মার্শাল ভারতী বলেন, ‘আমরা যে ঘাঁটিগুলোকে নিশানা করেছিলাম তার মধ্যে ছিল চাকলালা, রফিকি। উল্লেখ্য, চাকলালা ইসলামাবাদে অবস্থিত। ’ এছাড়া পাকিস্তানের রহিম ইয়ার খান, সরগোদা, জাকোকাবাদ এবং ভুলারির মতো এলাকার সামরিক ঘাঁটিতে হামলা করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়েছে, এই অভিযানের মাধ্যমে পাকিস্তানকে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে, আগ্রাসী মনোভাবকে কোনওভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। 

এয়ার মার্শাল জানান, এই ঘাঁটিগুলোকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেওয়ার ক্ষমতা ছিল ভারতের। কিন্তু ভারত নিয়ন্ত্রিত এবং পরিমিত জবাব দিয়েছে।

একই রকম ভাবে গত কয়েক দিন ধরে পাকিস্তানি নৌবাহিনীকে কৌশলগতভাবে চাপে রেখেছিল ভারতীয় নৌবাহিনী।  ভাইস অ্যাডমিরাল এএন প্রমোদ জানান, পেহেলগামকাণ্ডের পরে নৌবাহিনীর ডুবোজাহাজ, বিমানসহ সব বিভাগকে সংঘাতের জন্য পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়ে সমুদ্রে মোতায়েন করা হয়েছিল।  সন্ত্রাসী হামলার ৯৬ ঘণ্টার মধ্যে নৌবাহিনী আরব সাগরে কৌশলগত অবস্থান নেয়। 

তিনি আরও জানান, উত্তর আরব সাগরে এমন জায়গায় বাহিনীকে মোতায়েন করা হয়েছিল যেখান থেকে নিজেদের পছন্দ মতো সময়ে করাচিসহ বিভিন্ন স্থানে নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার ক্ষমতা ছিল নৌবাহিনীর।  ভারতীয় নৌবাহিনীর কৌশলগত অবস্থানের জন্য পাকিস্তানি নৌসেনাদের রক্ষণমূলক অবস্থান নিতে হয়েছিল। 

ভারত জানিয়েছে, ‘অপারেশন সিঁদুর’ পরিকল্পনার মূল সামরিক লক্ষ্যই ছিল সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপে যুক্ত অপরাধী এবং পরিকল্পনাকারীদের শাস্তি দেওয়া এবং তাদের ঘাঁটিগুলোকে ধ্বংস করা।  

লেফটেন্যান্ট জেনারেল ঘাই দাবি করেন, নয়টি স্থানে হামলায় শতাধিক সন্ত্রাসীর মৃত্যু হয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে ইউসূফ আজ়হার, আব্দুল মালিক রাউফ এবং মুদস্সর আহমেদ।  নিহতদের মধ্যে আইসি ৮১৪ অপহরণ এবং পুলওয়ামা হামলায় জড়িত অপরাধীও রয়েছেন। 

এছাড়া গত কয়েক দিনের এই সংঘাতে ভারতীয় সেনাবাহিনীর পাঁচ সদস্যের মৃত্যু হয়েছে।  তাদের জন্য শোক প্রকাশ করেন অফিসরারা।

সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্নত্তোর পর্বে বিমান বাহিনীর কোনো রাফাল যুদ্ধবিমানের ক্ষতি হয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকেরা। তবে এই প্রশ্নের জবাবের এয়ার মার্শাল ভারতী সরাসরি কোনও মন্তব্য করেননি। 

তিনি জানান, একটি সংঘর্ষের পরিস্থিতি এবং রাফালও সেটির অঙ্গ। তবে এই অভিযানে সন্ত্রাসী ঘাঁটিগুলো ধ্বংস করা সেনাবাহিনীর লক্ষ্য ছিল এবং সাফল্য এসেছে।  এর ফল পুরো বিশ্ব দেখতে পাবে।

তথ্যসূত্র: আনন্দাবাজার 

tag ট্যাগ: #ভারত