calendar_today বৃহস্পতিবার, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ • ৫ নভেম্বর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
জামজামী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী পলাশ আহমেদকে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ব্যঙ্গাত্মক পোস্ট ◆ গবেষণা থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা: অধ্যাপক মতিনুর রহমানের নেতৃত্বে ইবির নতুন উদ্যোগ ◆ ‘জেন-জিদের রাষ্ট্র সংস্কারের আকাঙ্ক্ষা এখনো পূরণ হয়নি’: মাহমুদুর রহমান ◆ বাংলাদেশে রাজনৈতিক পরিচয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের শাস্তি, উদ্বিগ্ন এইচআরডব্লিউ ◆ বর্ণাঢ্য আয়োজনে পর্দা নামল ‘এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ ২০২৬’ ফুটবল টুর্নামেন্টের ◆ ইরানের রাষ্ট্রীয় টিভিতে পারমাণবিক হামলা থেকে বাঁচার নির্দেশনা ◆ রাজধানীতে বাসের ধাক্কায় অটোরিকশার ৪ যাত্রী নিহত, আহত ২ ◆ সুনামগঞ্জে সড়ক নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ, অপপ্রচারের প্রতিবাদ বিএনপির ◆ ফরিদপুরে কিশোরীর মৃত্যু ঘিরে ধর্ষণের অভিযোগ, মৃত্যুর আগে ভিডিওতে অভিযুক্তদের নাম ◆ ৬৩৬ কোটি ডলারের ক্রিপ্টো চুরি, সন্দেহের কেন্দ্রে লাজারাস গ্রুপ ◆ মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়াই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ◆ চিকিৎসা ও সহযোগিতার আবেদন নিয়ে সচিবালয়ের সামনে বিএনপি কর্মী
home হোম / জাতীয় / দারিদ্র্য হার এক বছরে কত বেড়েছে, জানাল যৌথ জরিপ
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
জাতীয় বিশেষ প্রতিবেদন

দারিদ্র্য হার এক বছরে কত বেড়েছে, জানাল যৌথ জরিপ

গত এক বছরে বেড়েছে দেশের দারিদ্র হার। ২০২২ সালের বিবিএস-এর হিসেবে দেশে অতিদারিদ্র্য ছিল ৫ দশমিক ৬ শতাংশ। ২০২৫ সালে তা বেড়ে হয়েছে ৯ দশমিক ৩৫ শতাংশ। এছাড়া সাধারণ দারিদ্র্য হার ১৮ দশমিক ৭ শতাংশ থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৭ দশমিক...

person
বিশেষ প্রতিনিধি verified
Reporter
schedule প্রকাশ: সোমবার, ২৫ আগস্ট ২০২৫ • বিকাল ০৩:৪৪
history আপডেট: ১ বছর আগে
timer ৫ মিনিট পড়ার সময়
visibility ১৩৮ বার পঠিত

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিম্ন ও মধ্যম শ্রেণির মানুষের আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি। তারা সংসার চালাচ্ছেন ধার-দেনা করে। তবে উচ্চবৃত্তের আয়ের চেয়ে ব্যয় কম। এছাড়া  বেড়েছে বৈষম্য, হচ্ছে হয়রানি। গত সরকারের আমলেও ঘুস দিতে হতো এখনো দিতে হয়। তবে সার্বিকভাবে ঘুস দেওয়া কিছুটা কমলেও বর্তমানে কোনো কাজ করতে গিয়ে ঝামেলা এড়াতে বেশি ঘুস দিচ্ছে মানুষ। আওয়ামী লীগের সময়ে যেটি ছিল ২১ দশমিক ৫১ শতাংশ, সেটি এখন বেড়ে হয়েছে ৩০ দশমিক ৭৯ শতাংশ। 

ড. হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, গড়ে একটি পরিবারের মাসিক আয় ৩২ হাজার ৬৮৫ টাকা এবং মাসিক ব্যয় ৩২ হাজার ৬১৫ টাকা। কিন্তু এর মধ্যে অনেক ভাগ রয়েছে৷ যেমন- নিচের দিকের ১০ শতাংশ মানুষের মাসিক আয় ৮ হাজার ৪৭৭ টাকা আর ব্যয় ১২ হাজার ২৯৪ টাকা। এছাড়া মধ্যবিত্ত ৪০ শতাংশ মানুষের আয় ২৮ হাজার ৮১৮ টাকা আর ব্যয় হয় ২৯ হাজার ৭২৭ টাকা। 

তবে উচ্চস্তরে থাকা ১০ শতাংশ মানুষের আয় ১ লাখ ৯ হাজার ৩৯০ টাকা, যাদের ব্যয় হয় ১ লাখ ১ হাজার ১৬৩ টাকা।

প্রতিবেদনের তথ্য উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, সর্বনিম্ন ১০ শতাংশ মানুষের মধ্যে ১২ দশমিক ২ শতাংশ সপ্তাহে অন্তত এক বেলা না খেয়ে থাকে। এছাড়া ৯ শতাংশ মানুষ মাসে অন্তত একদিন না খেয়ে থেকেছে। নিম্ন আয়ের মানুষের মধ্যে খাদ্য নিরাপত্তার অভাব রয়েছে। 

দেশে স্মার্ট ফোনের ব্যবহার বেড়েছে উল্লেখ করে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তবে ৮২ দশমিক ৫ শতাংশ স্মার্ট ফোন ব্যবহার হয় শুধু গেম বা বিনোদনের কাজে। দেশে পরিচালিত সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির ১৬ দশমিক ৫ শতাংশ পায় যারা গরিব নয়। এছাড়া যারা গরিব নয় তবে যেকোনো সময় গরিব হতে পারে এমন ২৭ দশমিক ৫০ শতাংশ মানুষ সরকারি বিভিন্ন ভাতা পান। এই দুটি বিষয় মেলালে দেখা যায় সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির মধ্যে ৪৪ দশমিক ৩০ শতাংশই সঠিক মানুষ পাচ্ছেন না। 

এছাড়া পরিবারগুলোর মধ্যে গড়ে ২৭ লাখ টাকার সম্পদ রয়েছে এবং পরিবারগুলোতে সিলিন্ডার গ্যাসের ব্যবহারও বেড়েছে। 

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, মানুষের প্রত্যাশা হলো, অর্থনৈনিক উন্নয়ন, আইন শৃঙ্খলার উন্নয়ন এবং দারিদ্র বিমোচন। আর রাজনৈতিক দলগুলোর প্রত্যাশা হলো- দুর্নীতি দমন, সুশাসন ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন। 

ক্রনিক রোগের কারণে পরিবারগুলো দরিদ্র হচ্ছে জানিয়ে ড. হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, জরিপে অংশ নেওয়া সব পরিবারেই একজন বা একাধিক ক্রনিক রোগী রয়েছেন। এজন্য নিম্ন আয়ের পরিবারগুলোর মধ্যে ক্রনিক রোগীদের জন্য সামাজিক নিরাপত্তায় আলাদা নতুন কর্মসূচি চালু করা দরকার।