calendar_today মঙ্গলবার, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ • ৩ নভেম্বর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি নবায়নে আশাবাদী ঢাকা: শামা ওবায়েদ ◆ কুমিল্লায় ২৭ মামলার আসামি মইন্যা ডাকাত গ্রেপ্তার, সঙ্গে ছেলে ◆ লালপুরে পুকুরের পানিতে ডুবে একই গ্রামের দুই শিশুর মৃত্যু ◆ পোশাকশিল্পকে ‘ষড়যন্ত্রকারীরা পরিস্থিতি উসকে দিয়ে ধ্বংসের পাঁয়তারা করছে’ ◆ আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিসে দালালবিরোধী অভিযান, ৭ জনের কারাদণ্ড ◆ হকারদের পুনর্বাসনেই হতে পারে শপিং মলের সংকটের সমাধান ◆ ‘আমার দেশ’ পত্রিকা ছেঁড়ার ঘটনায় ক্ষুব্ধ এনইসি, জানাল প্রতিবাদ ◆ ইসরাইলের নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের ফল নিয়ে অবস্থান স্পষ্ট করল ◆ ভাল্লুকের সঙ্গে সংঘর্ষে ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, অল্পের জন্য রক্ষা ৩২ যাত্রী ◆ পোশাক কারখানায় ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ: সরকারকে যে আহ্বান জানালেন ডা. শফিকুর রহমান ◆ গাজীপুরে অর্ধশতাধিক যানবাহন ভাঙচুর আজও শ্রমিকদের বিক্ষোভ-অবরোধ, ◆ আইসিসিবিতে ৫ নভেম্বর শুরু হচ্ছে তিন দিনব্যাপী বারভিডা কার এক্সপো
home হোম / আন্তর্জাতিক / বিশ্বের যেসব দেশে ভূমিকম্পের ঝুঁকি সবচেয়ে কম
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
আন্তর্জাতিক বিশেষ প্রতিবেদন

বিশ্বের যেসব দেশে ভূমিকম্পের ঝুঁকি সবচেয়ে কম

প্রধান ফল্ট লাইন থেকে দূরে থাকায় প্রাকৃতিকভাবে নিরাপদ অনেক রাষ্ট্র

person
বাংলার ডাক verified
Staff reporter
schedule প্রকাশ: সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫ • সন্ধ্যা ০৬:২৪
history আপডেট: ১১ মাস আগে
timer ৫ মিনিট পড়ার সময়
visibility ১৯৮ বার পঠিত

শুক্রবার বাংলাদেশে ৫.৭ মাত্রার প্রাণঘাতী ভূমিকম্পের পর, শনিবার (২২ নভেম্বর) রাজধানীসহ আশপাশের এলাকায় মাত্র আট ঘণ্টার ব্যবধানে আরও তিনটি মৃদু কম্পন অনুভূত হয়েছে। এদিকে, ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণকারী ওয়েবসাইট 'আর্থকোয়াকট্র্যাকার ডটকম'-এর তথ্য অনুযায়ী, শনিবার থেকে রবিবার পর্যন্ত বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে মোট ৯১টি ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়েছে।

ভূমিকম্পের ঝুঁকি বিবেচনায় সমগ্র বাংলাদেশকে মোট তিনটি জোনে বিভক্ত করা হয়েছে—জোন-১ (উচ্চ ঝুঁকি), জোন-২ (মাঝারি ঝুঁকি) এবং জোন-৩ (নিম্ন ঝুঁকিপ্রবণ)। আবহাওয়া অধিদপ্তরের মানচিত্রে এই ঝুঁকিপ্রবণ এলাকাগুলো চিহ্নিত করা আছে।

তবে বিশ্বের কিছু দেশ রয়েছে, যা প্রধান ভূমিকম্প ফল্টলাইন থেকে অনেক দূরে অবস্থিত হওয়ায় সেখানে ভূমিকম্পের ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে কম।

কম ঝুঁকিপূর্ণ দেশসমূহ:

  • চাদ: উত্তর-মধ্য আফ্রিকার এই দেশটিতে ভূমিকম্পের ঝুঁকি অত্যন্ত কম। সবচেয়ে কাছের ফল্ট লাইনটি এখান থেকে প্রায় ২,১০০ কিলোমিটার দূরে। তবে এখানে বন্যা, খরা ও দাবানলের মতো অন্যান্য প্রাকৃতিক বিপদের ঝুঁকি বিদ্যমান।

  • নাইজার: এটি কোনো প্রধান ফল্ট লাইনের কাছে নেই। ভূমিকম্পের ঝুঁকি কম হলেও বন্যা, খরা ও উচ্চ তাপমাত্রা জনজীবনকে প্রভাবিত করে।

  • আইভরি কোস্ট: পশ্চিম আফ্রিকার এই দেশটিতে ভূমিকম্পের ঝুঁকি বেশ কম।

  • বুরকিনা ফাসো: স্থলবেষ্টিত এই দেশটিতে ভূমিকম্পের ঝুঁকি কম হলেও বন্যা, খরা ও আগুনের ঝুঁকি রয়েছে। তাপমাত্রা বৃদ্ধি এবং দীর্ঘ শুষ্ক মৌসুম কৃষি উৎপাদনে প্রভাব ফেলছে।

  • বাহামা: ক্যারিবীয় প্লেটের ফল্ট লাইন থেকে প্রায় ৪৮০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত হওয়ায় এখানে ভূমিকম্প খুবই বিরল। তবে উপকূলীয় বন্যা ও ঘূর্ণিঝড়ের ঝুঁকি বেশি।

  • ফিনল্যান্ড: উত্তর ইউরোপের এই দেশটিতে সবচেয়ে কাছের ফল্ট লাইনও ২,১০০ কিলোমিটার দূরে। তবে খনন বা বিস্ফোরণের কারণে মাঝে মধ্যে মানবসৃষ্ট মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এখানে বন্যা-দাবানলের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের সংখ্যাও বেশ কম।

  • ডেনমার্ক: উত্তর-পশ্চিম ইউরোপের এই দেশটি আফ্রিকান-ইউরেশিয়ান প্লেট সীমান্ত থেকে প্রায় ১,৯৩০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। ফলে ডেনমার্কে খুব কম মাত্রার ভূমিকম্প হয়।

  • লাটভিয়া: প্রধান ফল্ট লাইন থেকে ১,১০০ কিলোমিটার দূরে থাকায় লাটভিয়ায় ভূমিকম্প কার্যত দেখা যায় না। তবে বসন্তকালে ভারী বৃষ্টিপাত ও বরফ গলনজনিত বন্যা হতে পারে।

  • আয়ারল্যান্ড: উত্তর-পশ্চিম ইউরোপের এই দেশটিতে ভূমিকম্পের ঝুঁকি কম।

  • উরুগুয়ে: দক্ষিণ আমেরিকার এই দেশটিও প্রধান ফল্ট লাইন থেকে প্রায় ১,৬০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত হওয়ায় ভূমিকম্প এখানে বিরল ঘটনা। তবে উপকূলবর্তী অবস্থানের কারণে বন্যার ঝুঁকি রয়েছে।