calendar_today বৃহস্পতিবার, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ • ৫ নভেম্বর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
জামজামী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী পলাশ আহমেদকে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ব্যঙ্গাত্মক পোস্ট ◆ গবেষণা থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা: অধ্যাপক মতিনুর রহমানের নেতৃত্বে ইবির নতুন উদ্যোগ ◆ ‘জেন-জিদের রাষ্ট্র সংস্কারের আকাঙ্ক্ষা এখনো পূরণ হয়নি’: মাহমুদুর রহমান ◆ বাংলাদেশে রাজনৈতিক পরিচয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের শাস্তি, উদ্বিগ্ন এইচআরডব্লিউ ◆ বর্ণাঢ্য আয়োজনে পর্দা নামল ‘এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ ২০২৬’ ফুটবল টুর্নামেন্টের ◆ ইরানের রাষ্ট্রীয় টিভিতে পারমাণবিক হামলা থেকে বাঁচার নির্দেশনা ◆ রাজধানীতে বাসের ধাক্কায় অটোরিকশার ৪ যাত্রী নিহত, আহত ২ ◆ সুনামগঞ্জে সড়ক নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ, অপপ্রচারের প্রতিবাদ বিএনপির ◆ ফরিদপুরে কিশোরীর মৃত্যু ঘিরে ধর্ষণের অভিযোগ, মৃত্যুর আগে ভিডিওতে অভিযুক্তদের নাম ◆ ৬৩৬ কোটি ডলারের ক্রিপ্টো চুরি, সন্দেহের কেন্দ্রে লাজারাস গ্রুপ ◆ মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়াই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ◆ চিকিৎসা ও সহযোগিতার আবেদন নিয়ে সচিবালয়ের সামনে বিএনপি কর্মী
home হোম / অর্থনীতি / ব্যাংক খাত পুনর্গঠনে বছরে দরকার ৬০ হাজার কোটি টাকা: গভর্নর
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
অর্থনীতি বিশেষ প্রতিবেদন

ব্যাংক খাত পুনর্গঠনে বছরে দরকার ৬০ হাজার কোটি টাকা: গভর্নর

দেশের ব্যাংকিং খাতকে ভয়াবহ আর্থিক লুটপাট ও কাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতির হাত থেকে সামলে তুলতে হলে আগামী পাঁচ থেকে আট বছর মেয়াদে জাতীয় বাজেট থেকে প্রতিবছর ৬০ হাজার কোটি টাকা করে অর্থ বরাদ্দ প্রয়োজন হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ...

person
বাংলার ডাক verified
Staff reporter
schedule প্রকাশ: শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬ • বিকাল ০৩:৫১
history আপডেট: ২৫ দিন আগে
timer ৩ মিনিট পড়ার সময়
visibility ১৩৭ বার পঠিত

আজ শনিবার (১০ অক্টোবর) রাজধানীর ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ইউআইইউ) প্রাঙ্গণে ওয়ান ব্যাংক পিএলসি আয়োজিত ‘বাংলা কিউআর’ লেনদেন জোরদারকরণ সংক্রান্ত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

ব্যাংকিং খাতে ঘটে যাওয়া নজিরবিহীন অনিয়ম ও অর্থপাচারের চিত্র তুলে ধরে গভর্নর বলেন, তিনি যখন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের শীর্ষ পদের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন, ততদিনে ব্যাংকিং ব্যবস্থার মোট তহবিলের এক-তৃতীয়াংশই লুটেরাদের দখলে চলে গিয়েছিল।

আর্থিক খাত থেকে লোপাট হওয়া অর্থের পরিমাণের বিষাদময় বিবরণ দিয়ে তিনি উল্লেখ করেন, যে পরিমাণ অর্থ ব্যাংক খাত থেকে বের করে নেওয়া হয়েছে, তা দিয়ে দেশের অন্তত দুই কোটি পরিবারকে সামাজিক সুরক্ষা সুবিধা প্রদান করা যেত অথবা পদ্মা সেতুর মতো দুটি বড় অবকাঠামোগত মেগা প্রজেক্ট বাস্তবায়ন করা সম্ভব হতো।

ব্যাংক খাতের চলমান তারল্য সংকটের জন্য দায়ীদের প্রতি তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে গভর্নর বলেন, অপরাধের যে মাত্রা ও ভয়াবহতা তৈরি করা হয়েছে, তা বোঝানোর মতো সাধারণ কোনো শব্দ পর্যাপ্ত নয়। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “লুটেরা গোষ্ঠী সাধারণ মানুষের কষ্টের উপার্জিত আমানত লুট করেছে। এটি কোনো সাধারণ চুরি নয়, এটি ছিল সসংগঠিত লুণ্ঠন।”

তবে সংকট উত্তরণে আশার বাণী শুনিয়ে মোস্তাকুর রহমান জানান, ব্যাপক আর্থিক দুর্নীতি ও বিদেশে অর্থপাচারের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের ছাড় দেওয়া হবে না। অপরাধীদের যথোপযুক্ত জবাবদিহির আওতায় আনতে এবং পাচার হওয়া দেশীয় সম্পদ ফেরত আনতে ইতিমধ্যে আইনি প্রক্রিয়া ও কঠোর পদক্ষেপ সচল করা হয়েছে।