সউদী আরবের পররাষ্ট্রবিষয়ক জনকূটনীতি বিভাগের উপমন্ত্রী রায়েদ ক্রিমলি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানিয়েছেন, এ সফর আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় মক্কা চুক্তিভুক্ত দেশগুলোর ভূমিকা এবং সংকট সমাধানে অঞ্চলের অন্যান্য দেশের সঙ্গে কাজ করার প্রতিশ্রুতি তুলে ধরে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, চলমান সংকট প্রশমন ও কূটনৈতিক সমাধানের প্রচেষ্টার অংশ হিসেবেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের উপসচিব আলী বাকেরি-কানিও জানিয়েছেন, সউদী আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের প্রতিনিধিরা তেহরানে গিয়ে আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা করবেন। গত সপ্তাহে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের ইরান সফরের সময় এ বৈঠকের প্রস্তাব উঠে আসে।
সউদী আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান গত আগস্টে মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করে। চুক্তি অনুযায়ী, সদস্যদেশগুলোর কোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলাকে সব সদস্যের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথিদের সাম্প্রতিক হামলার মুখে সউদী আরবের নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নতুন করে সামরিক অভিযানের ইঙ্গিত দিয়েছেন। অন্যদিকে, ইরানও পাল্টা জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। এর মধ্যে কাতার ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় আগের একটি অন্তর্বর্তী সমঝোতা স্থায়ী রূপ না পাওয়ায় আঞ্চলিক সংঘাত কমাতে নতুন কূটনৈতিক উদ্যোগের গুরুত্ব বেড়েছে। তথ্যসূত্র: রয়টার্স