নতুন মন্ত্রিসভা ঘোষণা যুক্তরাজ্যে

Total Views : 18
Zoom In Zoom Out Read Later Print

যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন লেবার পার্টির নেতা স্যার কিয়ার স্টারমার। শুক্রবার (৫ জুলাই) বাকিংহাম প্রাসাদে রাজা তৃতীয় চার্লস আনুষ্ঠানিকভাবে কিয়ার স্টারমারকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেন। নতুন প্রধানমন্ত্রী স্টারমার এরই মধ্যে তার নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করে ফেলেছেন। বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) অনুষ্ঠিত যুক্তরাজ্যের সাধারণ নির্বাচনে ৪১২টি আসন পেয়ে জয়ী হয়েছে লেবার পার্টি। অন্যদিকে, কনজারভেটিভ পার্টি পেয়েছে ১২১টি আসন। যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টের মোট ৬৫০টি আসনের মধ্যে সরকার গঠনের জন্য কোনো দলকে এককভাবে পেতে হবে ৩২৬টি আসন। সে হিসেবে নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে লেবার পার্টি। স্টারমার নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর, শুক্রবারই মন্ত্রিসভা গঠনের কথা জানায় ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিট। শুক্রবার দুপুর থেকে বিকেল নাগাদ ডাউনিং স্ট্রিটে একে একে ডাক পান লেবার পার্টির অপেক্ষাকৃত জ্যেষ্ঠ সংসদ সদস্যরা। স্টারমার ২০ জন মন্ত্রী বেছে নিয়ে তাদের দায়িত্ব বণ্টন করে দিয়েছেন। এই মন্ত্রীসভায় গুরুত্বপূর্ণ অর্থমন্ত্রী (চ্যান্সেলর অব একচেকার) পদসহ রেকর্ড ১১টি পদে নারীদের বেছে নিয়েছেন স্টারমার।

দেশটির নতুন উপ-প্রধানমন্ত্রী হিসেবে অ্যাঞ্জেলা রেইনাহকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। অপরদিকে দেশটির প্রথম নারী অর্থমন্ত্রী হয়েছেন র‌্যাচেল রিভস। যুক্তরাজ্যের ইতিহাসে ৪৫ বছর বয়সী রিভসই প্রথম নারী অর্থমন্ত্রী হয়েছেন।

দেশটির নতুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হয়েছেন ইয়েভেত্তে কুপার। অপরদিকে ডেভিড ল্যামিকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী করা হয়েছে ওয়েস স্ট্রিটিংকে। 

এদিকে শিক্ষামন্ত্রী হয়েছেন ব্রিজেট ফিলিপসন। তিনি স্টারমারের খুবই ঘনিষ্ঠ। জ্বালানিমন্ত্রী করা হয়েছে এড মিলিব্যান্ডকে। এছাড়া বিচারমন্ত্রী করা হয়েছে শাবানা মাহমুদকে। তুখোড় এই আইনজীবী অনেক চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে রাজনীতিতে এসেছেন। সাবেক কনজারভেটিভ নেত্রী লিজ ট্রাসের পর তিনিই দ্বিতীয় নারী হিসেবে এই দায়িত্ব পেলেন।

জোনাথন রেনল্ড হয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী এবং লিজ কেন্ডাল শ্রম ও কারামন্ত্রী হয়েছেন। এছাড়া প্রতিরক্ষামন্ত্রী করা হয়েছে জন হিলিকে। লুইস হেইঘ হয়েছেন পরিবহনমন্ত্রী, স্টিভ রিড পরিবেশমন্ত্রী, পিটার কাইলি বিজ্ঞান, উদ্ভাবন ও প্রযুক্তি বিষয়কমন্ত্রী। অপরদিকে লিসা ন্যান্ডিকে সংস্কৃতি বিষয়কমন্ত্রী করা হয়েছে।

এছাড়া, কমন্স নেতা করা হয়েছে লুসি পাওয়েলকে। লর্ডসের নেতা হয়েছেন ব্যারোনেস স্মিথ। পার্লামেন্টে লেবার পার্টির চিফ হুইপ করা হয়েছে অ্যালান ক্যাম্বলকে।

অর্থমন্ত্রী রেইচেল রিজের সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ড্যারেন জোনস। ল্যাঙ্কাস্টারের ডাচির চ্যান্সেলর হয়েছেন প্যাট ম্যাকফ্যাডেন। যুক্তরাজ্যের নতুন অ্যাটর্নি জেনারেল পদ দেওয়া হয়েছে রিচার্ড হারমারকে। 

বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) স্থানীয় সময় সকাল ৭টা থেকে যুক্তরাজ্যে সাধারণ নির্বাচনের ভোট শুরু হয়। এবারের নির্বাচনে হেরে কনজারভেটিভ পার্টিকে টানা ১৪ বছর পর ক্ষমতা থেকে সরে যেতে হলো।

See More

Latest Photos