গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর বিএনপি'র চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান এমপি'র প্রথম বিদেশ সফর হিসেবে মালয়েশিয়াকে বেছে নেওয়া অত্যন্ত সময়োপযোগী, দূরদর্শী এবং ভূ-রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ একটি সিদ্ধান্ত। আন্তর্জাতিক সম্পর্কের বাস্তবতায় যেকোনো রাষ্ট্রপ্রধানের 'প্রথম বিদেশ সফর' কেবল একটি প্রথাগত প্রোটোকল নয়; এটি নতুন সরকারের পররাষ্ট্রনীতির অগ্রাধিকার এবং কৌশলগত অবস্থানের একটি প্রতীকী নির্দেশনা। বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট এবং বিশেষ করে ভারত ও চীনের মধ্যকার আঞ্চলিক ও ভূ-রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার সমীকরণ বিবেচনা করলে, বেইজিং বা দিল্লির পরিবর্তে কুয়ালালামপুরকে প্রথম গন্তব্য হিসেবে নির্ধারণ করার মধ্যে বাংলাদেশের একটি সুনিপুণ কৌশলগত ভারসাম্য (Strategic Equilibrium) বজায় রাখার প্রয়াস স্পষ্ট লক্ষ্য করা যায়। প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে শুরু হওয়া দুই দিনব্যাপী এই সফরের মূল চালিকাশক্তি হলো 'অর্থনৈতিক কূটনীতি' (Economic Diplomacy)। এটি সাউথ-সাউথ কো-অপারেশন (South-South Cooperation) বা দক্ষিণ-দক্ষিণ সহযোগিতার এক উজ্জ্বল অনুঘটক হিসেবে ঢাকা ও কুয়ালালামপুরের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও প্রগাঢ় ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার এক ঐতিহাসিক সুযোগ।
ঢাকা-কুয়ালালামপুর মৈত্রী: প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফর ও বাংলাদেশের ভূ-অর্থনৈতিক কূটনীতি