কেন ইরানের বেসামরিক অবকাঠামোতে হামলা চালাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ?

Total Views : 12
Zoom In Zoom Out Read Later Print

যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে তাদের সামরিক অভিযান সম্প্রসারিত করেছে। তেহরান ওয়াশিংটের বিরুদ্ধে বেসামরিক অবকাঠামোতে হামলা চালানোর অভিযোগ তুলেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ইরানে টানা ছয় দিন ধরে হামলা করেছে। খবর আলজাজিরার।

ইরানি কর্মকর্তারা বলেছেন, একটি রেল স্টেশন ও আবাসিক এলাকাগুলোতে হামলা চালানো হয়েছে। এ ছাড়া বিভিন্ন স্থানে সেতু, পানি সরবরাহ ব্যবস্থা, খাদ্য গুদাম ও অন্যান্য বেসামরিক অবকাঠামো হামলার শিকার হয়েছে।

এসব হামলা চালানোর আগমুহূর্তে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফক্স নিউজকে বলেছিলেন, ওয়াশিংটন এবার ইরানের জ্বালানি খাতকে লক্ষ্যবস্তু করবে। ট্রাম্প বলেন, জ্বালানি খাতের লক্ষ্যবস্তুগুলো সর্বশেষের জন্য রাখা হয়েছে।

উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ার মধ্যেই ইরানের সামরিক বাহিনী আজ শুক্রবার (১৭ জুলাই) বলেছে, তারা বাহরাইনে একটি সামরিক ঘাঁটিতে থাকা মার্কিন বিমানে হামলা চালিয়েছে। কুয়েত জানিয়েছে, তারা ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার জবাব দিচ্ছে। চলতি সপ্তাহে বাহরাইন, কুয়েত, ওমান, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও জর্ডানজুড়ে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আবারও সক্রিয় করা হয়েছে।

ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হওয়ার এক মাস পর নতুন করে এ যুদ্ধ শুরু হয়েছে। ওই সমঝোতা স্মারকে এপ্রিল মাসে করা যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো হয়। একই সঙ্গে যুদ্ধ শেষ করার লক্ষ্যে আলোচনার জন্য একটি কাঠামো নির্ধারণ করা হয়। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার মধ্য দিয়ে এ যুদ্ধ শুরু হয়েছিল। এরপর থেকে তেহরান ও ওয়াশিংটন একে অপরকে চুক্তি লঙ্ঘনের জন্য অভিযুক্ত করে এসেছে।

সর্বশেষ যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের হামলার পেছনের কারণগুলোর মধ্যে হরমুজ প্রণালি নিয়ে মতবিরোধ অন্যতম। ওমান হরমুজ প্রণালিতে নতুন একটি জাহাজ চলাচলের করিডোর চালুর ঘোষণা দেওয়ার পর ইরান বলেছে, তারা এই কৌশলগত জলপথে সামুদ্রিক যান চলাচল বন্ধ করে দেবে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দর ও উপকূলীয় এলাকায় আসা-যাওয়া করা জাহাজগুলোর ওপর নৌ অবরোধ পুনরায় শুরু করেছে।

সাম্প্রতিক কয়েক দিনের হামলাগুলো ক্রমবর্ধমানভাবে বেসামরিক নাগরিকদের ব্যবহৃত অবকাঠামোতে আঘাত হেনেছে। তাই এসব হামলার পেছনে ওয়াশিংটনের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এ হামলাগুলোর লক্ষ্য কি ইরানের সামরিক সক্ষমতা হ্রাস করা এবং তেহরানকে আলোচনার টেবিলে ফিরতে বাধ্য করা? নাকি স্থল আক্রমণের প্রস্তুতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ পরিবহণ নেটওয়ার্কগুলো নষ্ট করা এবং দৈনন্দিন জীবন নির্ভর করে এমন অবকাঠামোকে ধ্বংস করে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক চাপ বৃদ্ধি করা? এসব হামলা আন্তর্জাতিক আইন মেনে করা হচ্ছে কিনা এবং এই সংঘাত একটি সর্বাত্মক যুদ্ধে পরিণত হওয়ার ঝুঁকি আছে কিনা, তা নিয়েও বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

কোথায় আঘাত হানা হয়েছে?

ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় উপকূল এলাকায় হামলা করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় হরমুজগান প্রদেশ ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলজুড়ে বিস্তৃত অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আহভাজ, কেশম, বুশেহর, দাশতি, বোস্তান, সিরিক ও বন্দর-ই লেঙ্গেহ-তে বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। ইরানি কর্মকর্তারা বলেছেন, আগের চেয়ে এবারের হামলায় অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

হরমুজ প্রণালির তীরবর্তী শহর বন্দর আব্বাস সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যেখানে ইরানের প্রধান নৌঘাঁটি রয়েছে।

ইরানি গণমাধ্যম জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় শহরের কাহুরেস্তান সেতু এবং একটি আবাসিক এলাকায় দুজন নিহত ও আটজন আহত হয়েছেন। স্থানীয় প্রতিবেদন অনুযায়ী, একটি রেলওয়ে স্থাপনাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বার্তা সংস্থা তাসনিম জানায়, শহরটিতে একটি যোগাযোগ টাওয়ারে হামলা হয়েছে। এতে আশপাশের এলাকায় বিদ্যুৎ বিভ্রাট ঘটেছে।

হরমুজগান প্রদেশের রাজধানী বন্দর আব্বাস। এ প্রদেশের কর্মকর্তারা বলেছেন, সাম্প্রতিক হামলায় বন্দর আব্বাসকে পার্শ্ববর্তী শহরগুলোর সঙ্গে সংযোগকারী গুরুত্বপূর্ণ সড়ক পথের ছয়টি সেতু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বন্দর আব্বাস-খামির-লার রুটের গারিয়েহ সেতু, লাতিদান গ্রামের কাছের একটি সেতু, কাহুরেস্তান-লার সড়কের দুটি সেতু, বন্দর খামির-কেশার-বন্দর আব্বাসের সংযোগের জন্য নির্মাণাধীন একটি সেতু এবং মারু গ্রামের একটি সেতু।

কর্মকর্তারা বলছেন, ইরানের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় ইরানশাহর বিমানবন্দর হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার ফলে বিদ্যুৎ বিভ্রাট ঘটেছে। অন্যদিকে সেমনানের কর্তৃপক্ষ জানায়, বুধবার রাতে মার্কিন হামলায় একটি বেসামরিক বিমানবন্দরের প্রধান ভবন সামান্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

আরও জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় পশ্চিমাঞ্চলীয় ইলাম প্রদেশের দেহলোরানে একটি বোতলজাত পানির কারখানা এবং মধ্যাঞ্চলীয় মারকাজি প্রদেশের খোন্দাবের আশপাশের এলাকাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মারকাজি প্রদেশে ইরানের একটি ভারি-পানি উৎপাদন কেন্দ্র রয়েছে, যা আগেও হামলার শিকার হয়েছিল।

ইরানের স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আহভাজে হামলার কারণে বাঘাই বিশেষায়িত হাসপাতালটি অকার্যকর হয়ে পড়েছে। সেখান থেকে ২০০ জনেরও বেশি রোগীকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে জানান হাসপাতালটির পরিচালক রেজা বাজার। ইরানের গণমাধ্যম জানায়, হাসপাতালটিতে হামলায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

এর আগে ইরানের কর্মকর্তারা জানান, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি একটি ডাবল-ট্যাপ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় মিনাবের শাহারেহ তাইয়েবেহ বালিকা প্রাথমিক বিদ্যালয় ধ্বংস হয়ে যায় এবং এতে অন্তত ১৫০ জন নিহত হন, যাদের অধিকাংশই ছিল শিশু ও বিদ্যালয়ের কর্মী। পরবর্তীতে দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে জানানো হয়, এ হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্র দায়ী।

এদিকে, টেলিগ্রামে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, এ হামলাগুলো ‘জাতিসংঘ সনদ এবং আন্তর্জাতিক আইনের মৌলিক নীতিমালার চরম লঙ্ঘন’। তিনি বলেন, ১৯৪৯ সালের চারটি জেনেভা কনভেনশনসহ আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের অধীনে এগুলো ‘গুরুতর আন্তর্জাতিক অপরাধ’ হিসেবে গণ্য। তিনি আরও বলেন, সবগুলো দেশের সরকার এ ধরনের অপরাধকারীদের বিচার ও শাস্তি প্রদানে বাধ্য।

জেনেভা কনভেনশন অনুসারে, বেসামরিক স্থাপনাগুলো হামলা থেকে সুরক্ষিত রাখতে হয়, যদি না সেগুলো সামরিক কার্যক্রমের সহায়তায় ব্যবহৃত না হয়।

মার্কিন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল এবং হাডসন ইনস্টিটিউটের সিনিয়র ফেলো জোয়েল রেবার্ন আল জাজিরাকে বলেন, মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এবং অন্যান্য সামরিক আইনজীবীরা ইরানের এ লক্ষ্যবস্তুগুলোকে ‘দ্বৈত-ব্যবহারযোগ্য’ হিসেবে ছাড়পত্র দিয়ে থাকতে পারেন। অর্থাৎ, এসব বেসামরিক অবকাঠামো সামরিক উদ্দেশ্যেও ব্যবহৃত হতে পারে।

এদিকে ইরান জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের হামলার মূল শিকার হচ্ছে বেসামরিক নাগরিকরা। ইরানের কর্মকর্তারা জানান, যুদ্ধের প্রথম পর্বে ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৭ জুনের মধ্যে ৩ হাজার ৪৬৮ জন নিহত হয়েছেন। ২২ জুন সুইজারল্যান্ডে তেহরান ও ওয়াশিংটনের বৈঠক হয়। এরপর পুনরায় যুদ্ধ শুরু হওয়ায় মার্কিন হামলায় আরও ৩৮ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত এবং ৪০০ জনেরও বেশি আহত হয়েছেন বলে জানায় ইরান।

কৌশলগত তাৎপর্য

ট্রাম্প প্রশাসন বলেছে, ইরানে চালানো সাম্প্রতিক হামলাগুলোর লক্ষ্য হলো বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক বাণিজ্য পথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে নৌযান চলাচলের ক্ষেত্রে ইরানের হুমকি প্রদানের ক্ষমতা হ্রাস করা।

সেন্টকম বারবার বলছে, তাদের অভিযানগুলো কৌশলগত জলপথ দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোকে হুমকি দেওয়ার জন্য ব্যবহৃত ‘ইরানি কমান্ড সেন্টার, বিমান প্রতিরক্ষা ঘাঁটি, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সক্ষমতা এবং উপকূলীয় নজরদারি স্থাপনাকে’ লক্ষ্য করে পরিচালিত হচ্ছে।

তবে সাম্প্রতিক হামলাগুলো বেসামরিক অবকাঠামোর ওপর হয়েছে, যা এমন প্রশ্ন তুলেছে—ওয়াশিংটন তেহরানের সশস্ত্র বাহিনীকে দুর্বল করার বাইরেও চাপ বাড়ানোর জন্য কোনো বৃহত্তর কৌশল অনুসরণ করছে কিনা।

দক্ষিণাঞ্চল কেন গুরুত্বপূর্ণ

সাম্প্রতিক হামলাগুলোর বেশিরভাগই বন্দর আব্বাসকে কেন্দ্র করে চালানো হয়েছে, যেখানে ইরানের প্রচলিত নৌবাহিনী ও ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) নৌ শাখার ঘাঁটি রয়েছে।

হরমুজ প্রণালির কাছের এই বন্দরটি উপসাগরীয় অঞ্চলের অন্যতম কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে। ইরানের অপরিশোধিত তেল রপ্তানির ৯০ শতাংশেরও বেশি এই প্রণালি দিয়ে যেত। এতে বাণিজ্য থেকে রাজস্ব বৃদ্ধির ক্ষেত্রে বন্দর আব্বাস সামরিক ও অর্থনৈতিকভাবে ইরানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

লন্ডন-ভিত্তিক সামরিক বিশ্লেষক অ্যালেক্স আলফিরাজ শিয়ার্স আলজাজিরাকে বলেন, প্রচলিত সামরিক স্থাপনার বাইরে হামলার এ বিস্তার মার্কিন কৌশলে একটি বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত হতে পারে। তিনি বলেন, যেহেতু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, বিশেষ করে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প অত্যন্ত হতাশ এবং ফলস্বরূপ আরও মরিয়া হয়ে উঠছে। আমরা হয়তো এই হামলাগুলোকে ঐসব কৌশলগত ঘাঁটিতে, এমনকি ইরানের মূল ভূখণ্ডেও একটি সীমিত স্থল অভিযানের প্রস্তুতির প্রাথমিক পর্যায় হিসেবে দেখতে পারি।

হামলাগুলো সেতু ও সড়ক পথ ছাড়িয়ে পানি সরবরাহ ব্যবস্থা, খাদ্য মজুত কেন্দ্র এবং বিদ্যুৎ অবকাঠামো পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে—যে সম্পদগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।  

ল্যাঙ্কাস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক সাইমন ম্যাবন আল জাজিরাকে বলেন, এসব হামলার ধরনকে ‘সম্ভবত একটি স্থল আক্রমণের পূর্বাভাস’ হিসেবে ব্যাখ্যা করা যেতে পারে। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক বিভিন্ন বক্তব্যের দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, হরমুজ প্রণালি এবং ইরানের দক্ষিণ উপকূলীয় অঞ্চল নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার জন্য স্থলবাহিনীর প্রয়োজন হতে পারে।

সাইমন ম্যাবন আরও বলেন, আমি অবশ্য মনে করি না—এটিই সম্ভাব্য পরিস্থিতি, কারণ এটি হবে অত্যন্ত বিপর্যয়কর এবং যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে পরিস্থিতি সম্পর্কে একটি ভুল ধারণা।

ম্যাবন বলেন, এ পর্যায়ে হামলাগুলোর উদ্দেশ্য সম্ভবত তেহরানের ওপর চাপ বাড়ানো এবং তাদেরকে আলোচনার টেবিলে নিয়ে আসা। তিনি উল্লেখ করেন, এর আগে উত্তেজনা বৃদ্ধির পর একপর্যায়ে নতুন করে কূটনীতি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, বেসামরিক অবকাঠামোতে হামলা করলেই ইরানের জনগণ তাদের সরকারের বিরুদ্ধে চলে যাবে, এমনটা নয়। বরং এই ধরনের হামলা তেহরানের এই বয়ানকে আরও শক্তিশালী করতে পারে যে ওয়াশিংটন ইচ্ছাকৃতভাবে ইরানের বেসামরিক নাগরিকদের ওপর দুর্ভোগ চাপিয়ে দিচ্ছে।

সাইমন ম্যাবন বলেন, বেসামরিক অবকাঠামোর ওপর মার্কিন হামলাকে শাসকগোষ্ঠী নেতিবাচক হিসেবে দেখবে না। ইরানিদের দৃষ্টিকোণ থেকে, এটিকে বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু করার মার্কিন চিরাচরিত কর্মকাণ্ড হিসেবেই দেখা হবে। তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, এই সংঘাত আরও অনেক বেশি ধ্বংসাত্মক হয়ে উঠতে পারে। আমরা ট্রাম্পের এমন বক্তব্য শুনেছি, যা সম্ভবত আরও ভয়াবহ পরিস্থিতির দিকে ইঙ্গিত করে। এতে লক্ষ্যবস্তু সামরিক স্থাপনা থেকে সরে এমন জায়গায় চলে যেতে পারেম যা ইরানি জনগণের ওপর আরও বিপর্যয়কর প্রভাব ফেলবে।

See More

Latest Photos