বিশেষ প্রতিনিধি: জ্বালানির জ্বালাতে অস্থির সারা বিশ্ব। এর কষাঘাতে বেসামাল বাংলাদেশ। জ্বালানি সংকটে পড়ে মারাত্মক ভাবে কমে গেছে বিদ্যুৎ উৎপাদন। এর জেরে বন্ধ হয়ে গেছে অনেক মিল-কারখানা। এই সংকট সরকারের জনপ্রিয়তায় আঘাত করেছে। এসব পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের পথ খুঁজতে সরকার যেসব পদক্ষেপ নিয়েছে এবং যা হচ্ছে তা নিয়েই সুচিত এই প্রতিবেদন। ১. বিশাল আর্থিক লোকসান: বিশ্ববাজারে জ্বালানির দামের অস্থিরতার কারণে বাংলাদেশ বড় ধরণের আর্থিক লোকসানের মুখে পড়েছে। বিশেষভাবে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) এবং পেট্রোবাংলা ব্যাপক লোকসান গুনছে। বিপিসি-র লোকসান: বিশ্ববাজার থেকে বেশি দামে জ্বালানি তেল কিনে দেশের বাজারে কম দামে বিক্রি করার ফলে গত অগাস্ট পর্যন্ত গত ছয় মাসে বিপিসি ২২ হাজার কোটি টাকার বেশি লোকসান দিয়েছে। পেট্রোবাংলার ব্যয়: এলএনজি আমদানির ক্ষেত্রেও একই অবস্থা বিরাজমান। চড়া দামে এলএনজি আমদানি করে কম দামে বিক্রি করার ফলে গত ছয় মাসে নির্ধারিত ভর্তুকির বাইরেও পেট্রোবাংলার অতিরিক্ত ১৪ হাজার ৯০০ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। ২. বাজার অস্থিতিশীলতার কারণ: মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি বিশ্ববাজারে জ্বালানির দামের অস্থিরতার অন্যতম কারণ। এই অস্থিরতার মাশুল সরাসরি বাংলাদেশকে দিতে হচ্ছে। ৩. বাজার সংস্কারের উদ্যোগ ও বেসরকারি অংশগ্রহণ:
বিপিসির ২২ হাজার কোটির লোকসান: জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে আসছে নতুন নীতিমালা