বিশেষ অনুসন্ধানী প্রতিবেদন | (চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি): চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার ৭ নম্বর পদ্মবিলা ইউনিয়নে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশনের (বিসিআইসি) সার ডিলার নিয়োগকে কেন্দ্র করে স্বচ্ছতা, যোগ্যতা যাচাই ও প্রশাসনিক জবাবদিহি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। নতুন ডিলার হিসেবে ‘মেসার্স সম্পদ এন্টারপ্রাইজ’-এর স্বত্বাধিকারী মোঃ মাসুদ রেজা রতনের নাম ঘোষণার পর থেকেই স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বঞ্চিত আবেদনকারীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, সার ডিলার নিয়োগের মূল শর্তাবলী—যেমন গুদামের বাস্তব ধারণক্ষমতা, পূর্ববর্তী ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতা এবং একই স্থাপনায় অন্য ব্যবসা পরিচালনা সংক্রান্ত বিষয়গুলো তোয়াক্কা না করেই অনৈতিক সুবিধা ও প্রভাব বিস্তারের মাধ্যমে ডিলারশিপ চূড়ান্ত করা হয়েছে। প্রথম সুপারিশপ্রাপ্তকে বাদ দিয়ে অন্য নাম চূড়ান্তের অভিযোগ বঞ্চিত আবেদনকারী ও 'মেসার্স জোয়ার্দার ট্রেডার্স'-এর স্বত্বাধিকারী গোলাম ইশতিয়াক শান্ত গত ১৪ অক্টোবর কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব ও মহাপরিচালক বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ জমা দেন। তার দাবি, জেলা সার মনিটরিং কমিটির মূল্যায়নে তার প্রতিষ্ঠানকে প্রথম এবং সর্বাধিক যোগ্য হিসেবে মৌখিকভাবে সুপারিশ করা হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে রহস্যজনকভাবে মেসার্স সম্পদ এন্টারপ্রাইজের নাম অনুমোদনের জন্য তালিকায় আনা হয়। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও কৃষকদের মতে, এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বজনপ্রীতি, আর্থিক লেনদেন ও অদৃশ্য ক্ষমতার প্রভাব রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা বিসিআইসির মূল নথি, সভার কার্যবিবরণী, পরিদর্শন প্রতিবেদন এবং অডিও-ভিডিও রেকর্ড তদন্তের মাধ্যমেই নিশ্চিত হওয়া সম্ভব। রাতারাতি ট্রেড লাইসেন্স ও অভিজ্ঞতার ঘাটতি
চুয়াডাঙ্গার পদ্মবিলায় বিসিআইসি সার ডিলার নিয়োগে অনিয়মের গুরুতর অভিযোগ নীতিমালা তোয়াক্কা না করে বিতর্কিত প্রতিষ্ঠানকে ডিলারশিপ দেওয়ার দাবি বঞ্চিতদের।