জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন: সাবেক সহকারী কর কমিশনার শ্যামল কৃষ্ণ দাসের ৫ বছরের কারাদণ্ড

Total Views : 80
Zoom In Zoom Out Read Later Print

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে করা মামলায় সাবেক সহকারী কর কমিশনার শ্যামল কৃষ্ণ দাসকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রায় ঘোষণার সময় শ্যামল কৃষ্ণ দাস আদালতে হাজির ছিলেন। রায় শেষে সাজা পরোয়ানাসহ তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আজ বুধবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯-এর বিচারক আব্দুস সালাম এ রায় ঘোষণা করেন।

কারাদণ্ডের পাশাপাশি আসামিকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হলে আসামিকে আরও এক বছর কারাভোগ করতে হবে বলে রায়ে বলা হয়েছে। এ ছাড়া আসামির অবৈধভাবে উপার্জিত ১ কোটি ৩৬ লাখ ৪৬ হাজার ৫২২ টাকা রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তের আদেশ দেওয়া হয়েছে। আদালতের বেঞ্চ সহকারী সাইফুল ইসলাম মিঠু রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

১ কোটি ৮৫ লাখ ৯৫ হাজার ৭৯২ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০২৪ সালের ২৩ মে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সহকারী পরিচালক মো. মাহাবুব মোর্শেদ ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলাটি করেন।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, শ্যামল কৃষ্ণ দাস এনবিআরের কর অঞ্চল ময়মনসিংহে কর্মরত ছিলেন। বর্তমানে তিনি অবসরে রয়েছেন। তিনি দুদকে ২০২১ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি নিজ নামে ও নির্ভরশীলদের নামে যাবতীয় স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি, দায়-দেনা, আয়ের উৎসসহ বিস্তারিত বিবরণী জমা দেন। জমা দেওয়া সম্পদবিবরণীতে ২ কোটি ৭৩ লাখ ৮৩ হাজার ৮১৭ টাকার সম্পদের ঘোষণা দেন। এর সঙ্গে ৩১ লাখ ১৩ হাজার ২০০ টাকার পারিবারিক ব্যয় যোগ করে মোট ৩ কোটি ৪ লাখ ৯৭ হাজার টাকার সম্পদের হিসাব পাওয়া যায়। যার মধ্যে গ্রহণযোগ্য আয় পাওয়া যায় ১ কোটি ১৯ লাখ ১ হাজার ২২৫ টাকা। অবশিষ্ট ১ কোটি ৮৫ লাখ ৯৫ হাজার ৭৯২ টাকার আয়ের বৈধ উৎস পাওয়া যায়নি।

মামলার তদন্ত শেষে গত বছরের ১৭ এপ্রিল শ্যামল কৃষ্ণ দাসকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক হাফিজুর রহমান। গত ১৮ ফেব্রুয়ারি আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে এ মামলায় বিচার শুরু হয়। মামলার বিচার চলাকালে আদালত চারজন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।

See More

Latest Photos