‘আমার দেশ’ পত্রিকা ছেঁড়ার ঘটনায় ক্ষুব্ধ এনইসি, জানাল প্রতিবাদ

Total Views : 20
Zoom In Zoom Out Read Later Print

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খানের প্রকাশ্যে ‘আমার দেশ’ পত্রিকা ছিঁড়ে ফেলার ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিল (এনইসি)। এ ঘটনাকে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সংবাদপত্রের মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী বলে উল্লেখ করেছে সংগঠনটি।

রোববার (১ নভেম্বর) দেওয়া এক যৌথ বিবৃতিতে এনইসির সভাপতি শফিক রেহমান ও কোষাধ্যক্ষ শফিকুল আলম এ নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।

বিবৃতিতে বলা হয়, গত শনিবার (৩১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় এক ভিডিও বার্তায় প্রকাশ্যে ‘আমার দেশ’ পত্রিকা ছিঁড়ে ফেলেন রাশেদ খান। এ সময় পত্রিকাটি ও এর সম্পাদক মাহমুদুর রহমানকে নিয়েও আক্রমণাত্মক ভাষা ব্যবহার করেন তিনি। পত্রিকাটিতে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনের প্রতিক্রিয়ায় এ ঘটনা ঘটে।

এনইসির নেতারা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারীর মতো দায়িত্বশীল পদে থেকে সংবাদপত্র ছিঁড়ে ফেলার দৃশ্য ভিডিও করে প্রচার করা অনভিপ্রেত। এ ধরনের আচরণ সংবাদপত্রের স্বাধীনতার মৌলিক নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, কোনো সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদন নিয়ে কারও আপত্তি বা সংক্ষুব্ধতা থাকলে প্রতিবাদলিপি পাঠানো, প্রেস কাউন্সিলে অভিযোগ করা কিংবা আইনের আশ্রয় নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু এসব আইনসম্মত পথ অনুসরণ না করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পত্রিকা ছেঁড়ার ভিডিও প্রকাশের মাধ্যমে কী বার্তা দেওয়া হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এনইসি নেতারা।

এ ছাড়া সম্প্রতি ‘আমার দেশ’-এর একটি পুরোনো প্রতিবেদনকে কেন্দ্র করে সম্পাদক মাহমুদুর রহমানকে আইনের আওতায় আনার দাবি জানানোর বিষয়টিও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়। এনইসি নেতাদের মতে, এ ধরনের বক্তব্য সম্পাদককে চাপে ফেলার পাশাপাশি গণমাধ্যমের স্বাধীন পরিবেশের জন্য উদ্বেগ তৈরি করে।

বিবৃতিতে নেতারা অতীতেও সংবাদপত্র ছিঁড়ে ফেলা, পুড়িয়ে দেওয়া এবং পত্রিকা কার্যালয়ে হামলার মতো ঘটনার কথা স্মরণ করেন। তাদের মতে, সংবাদমাধ্যমের প্রতি এ ধরনের আচরণ আবারও ফিরে আসা গণমাধ্যমের স্বাধীনতার জন্য উদ্বেগজনক।

এনইসি নেতারা সংবাদপত্রের ওপর আক্রমণ, সম্পাদকদের হুমকি এবং বিদ্বেষমূলক বক্তব্য থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের অধিকার রক্ষায় দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের সংযত আচরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

See More

Latest Photos