calendar_today শুক্রবার, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ • ৬ নভেম্বর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
ট্রাক-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নওগাঁয় শিক্ষার্থী নিহত ◆ পোশাকশ্রমিকরা কাজে ফিরছেন ◆ মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রভাব: বিশ্ববাজারে টানা চার দিন কমল জ্বালানি তেলের দাম ◆ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে বক্তব্যের জের: নাহিদ ইসলামকে আইনি নোটিশ ◆ প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে সরকারি গাছ কাটার মহোৎসব: উজিরপুর উপজেলায় তোলপাড় ◆ দেশে স্বর্ণের দামে বড় লাফ, ভরিতে বাড়ল ৫৪৮২ টাকা ◆ ইরানকে সহায়তার দায়ে ভারত ও তুরস্কের একাধিক কোম্পানির ওপর নিষেধাজ্ঞা ◆ মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চলে তৈরি হবে জ্বালানি অবকাঠামো, প্রধানমন্ত্রী ◆ জামজামী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী পলাশ আহমেদকে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ব্যঙ্গাত্মক পোস্ট ◆ গবেষণা থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা: অধ্যাপক মতিনুর রহমানের নেতৃত্বে ইবির নতুন উদ্যোগ ◆ ‘জেন-জিদের রাষ্ট্র সংস্কারের আকাঙ্ক্ষা এখনো পূরণ হয়নি’: মাহমুদুর রহমান ◆ বাংলাদেশে রাজনৈতিক পরিচয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের শাস্তি, উদ্বিগ্ন এইচআরডব্লিউ
home হোম / সম্পাদকীয় / সিন্ডিকেট বাজার
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
সম্পাদকীয় বিশেষ প্রতিবেদন

সিন্ডিকেট বাজার

নিত্যপণ্যের চড়া দাম নিয়ন্ত্রণ এবং বাজার সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ায় ব্যর্থতার জন্য জনমনে ক্ষোভ রয়েছে। খোদ শিল্প প্রতিমন্ত্রীও কিছুদিন আগে ‘মানুষ বাজার করতে গিয়ে এখন কাঁদছে’ বলে মন্তব্য করেছেন।

person
বিশেষ প্রতিনিধি verified
Reporter
schedule প্রকাশ: বুধবার, ২৮ জুন ২০২৩ • সকাল ০৯:৩৪
history আপডেট: ৩ বছর আগে
timer ৪ মিনিট পড়ার সময়
visibility ১৯৭ বার পঠিত

এবার জাতীয় সংসদেও বিষয়টি নিয়ে তোপের মুখে পড়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। বিরোধীদলীয় সংসদ-সদস্যরা তীব্র সমালোচনা করে বলেছেন, সিন্ডিকেটের কেউ সরকারের ভেতর থাকলে তাকে খুঁজে বের করে পদক্ষেপ নিতে হবে।

এমনকি মন্ত্রীর সঙ্গে সিন্ডিকেটের কোনো সম্পর্ক রয়েছে কিনা, সে ব্যাপারেও প্রশ্ন তুলেছেন কেউ কেউ। একজন সংসদ-সদস্য তো মন্ত্রীর পদত্যাগও দাবি করেছেন।

জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেছেন, সিন্ডিকেটকে আইনের আওতায় আনতে গেলে যে ক্রাইসিস তৈরি হবে, সেটা আমাদের সইতে কষ্ট হবে; তাই আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা চলছে। একজন দায়িত্বশীল ব্যক্তির কাছ থেকে এমন মন্তব্য আসা দুঃখজনক। সরকারের দায়িত্ব হচ্ছে, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দেশ পরিচালনা করা। সেক্ষেত্রে সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্যরে কাছে এমন আত্মসমর্পণ কাঙ্ক্ষিত নয়।

সংসদে মন্ত্রী আবারও বৈশ্বিক পরিস্থিতির দোহাই দিয়ে সবাইকে সাশ্রয়ী হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। ডিম, পেঁয়াজের অস্বাভাবিক হারে দাম বৃদ্ধির দায় তিনি অন্য মন্ত্রণালয়ের ওপর চাপিয়েছেন। অথচ বাজারে কোনো অস্বাভাবিকতা থাকলে তা নিয়ন্ত্রণের দায় মূলত বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ওপরই বর্তায়। আমরা জানি, সাধারণত পণ্যের সংকট থাকলে দাম বাড়ে। কিন্তু দেশে খাদ্যপণ্যের কোনো সংকট নেই। উলটো দেখা যাচ্ছে-চাল, ডাল, আটা-ময়দা, ভোজ্যতেল, মাছ-মাংস, ডিম, মসলাসহ সব নিত্যপণ্যই বিক্রি হচ্ছে চড়া দরে। কিন্তু এসব পণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণে যাদের কাজ করার কথা, তারাই জুজুর ভয় দেখিয়ে খরচে রাশ টানার পরামর্শ দিচ্ছেন। তাহলে মানুষ অভিযোগ করবে কার কাছে?

অতিমুনাফার জন্য অনৈতিক ও বেআইনিভাবে দাম বাড়িয়ে মানুষের পকেট কাটা স্পষ্টতই অপরাধ। যারা এ অপরাধ করছে, তাদের আইনের আওতায় আনা কি এতই কঠিন? উল্লেখ্য, বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের আইন আছে। অনিয়ম হলে লাইসেন্স বাতিলের এখতিয়ারও সরকারের রয়েছে। আমরা মনে করি, বাজার নিয়ন্ত্রণের ব্যাপারে কালক্ষেপণের সুযোগ নেই। খাদ্যপণ্যের দামের কারসাজি রোধে সরকারকে তাই কঠোর হতেই হবে। যেসব অসাধু ব্যবসায়ী পণ্যের দাম বাড়িয়ে বিক্রি করছে, বাজারে প্রকৃত তদারকির মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে সরকার উপযুক্ত ব্যবস্থা নেবে, এটাই প্রত্যাশা। 

tag ট্যাগ: #1111