পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ঘরমুখো মানুষের চাপ এবং টানা বৃষ্টির কারণে গাজীপুরের ঢাকা-টাঙ্গাইল ও ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে কয়েক কিলোমিটার দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়েছে।
কয়েক কিমি যানজট ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে , বৃষ্টিতে থেমে থেমে চলছে যানবাহন
মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টা থেকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের কোনাবাড়ির পর থেকে চন্দ্রা পর্যন্ত এলাকায় যানবাহন থেমে থেমে চলছে।
অপরদিকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ভোগড়া এলাকায় মহাসড়কে বৃষ্টির পানি জমে যাওয়ায় যানবাহন স্বাভাবিক গতিতে চলতে পারছে না। যার কারণে গাজীপুর অংশে চান্দনা চৌরাস্তা এলাকা থেকে ৫ থেকে ৬ কিলোমিটার পর্যন্ত দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়াও শ্রীপুরের মাওনাসহ কয়েকটি স্থানে থেমে থেমে যানবাহন চলাচল করছে।
পুলিশ জানায়, সকাল থেকে যান চলাচল স্বাভাবিক থাকলেও বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ভারি বৃষ্টি শুরু হলে পরিস্থিতির অবনতি ঘটে। বৃষ্টির কারণে যানবাহনের গতি কমে যায় এবং মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে ঈদে বাড়ি ফেরা যাত্রীদের দুর্ভোগ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। বিশেষ করে কোনাবাড়ি, ভোগড়া বাইপাস, চান্দনা চৌরাস্তা ও চন্দ্রা ত্রিমোড় এলাকায় যানবাহনের দীর্ঘ সারি দেখা যায়।
অনেক যাত্রীকে মহাসড়কের পাশে ঘণ্টার পর ঘণ্টা পরিবহনের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে আছে। বাস সংকটের কারণে কেউ কেউ খোলা ট্রাক ও পিকআপে করে গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। বৃষ্টিতে এসব যানবাহনের যাত্রীরা চরম ভোগান্তির শিকার হন।
এছাড়া কালিয়াকৈর উপজেলার কালিয়াকৈর-নবীনগর সড়কে চন্দ্রা ত্রিমোড় থেকে বাড়ইপাড়া এলাকা পর্যন্ত দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। ওই এলাকায় থেমে থেমে চলাচল করায় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে ঘরমুখী মানুষদের।
কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা ফরেস্ট অফিসের সামনে মহাসড়কে আটকে পড়া যাত্রী কবির হোসেন বলেন, গাড়ি না পেয়ে ট্রাকে উঠেছিলাম। বৃষ্টি শুরু হওয়ায় একেবারে ভিজে যাতে হয়েছে। যানজটের কারণে আধা ঘণ্টা রাস্তা যেতে সময় লাগছে প্রায় দুই ঘণ্টার বেশি।
নাওজোড় হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সওগাতুল আলম বলেন, বৃষ্টির কারণে যানবাহনের গতি কমে গেছে। কোনাবাড়ি থেকে চন্দ্রা পর্যন্ত চাপ রয়েছে। যানজট নিরসন ও যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ কাজ করছে।