জাপান ইতিহাসের ম্যাচে নতুন রেকর্ড গড়ে জিতল

Total Views : 8
Zoom In Zoom Out Read Later Print

প্রথম ম্যাচে নেদারল্যান্ডসকে রুখে দিয়েছিল জাপান। দ্বিতীয় ম্যাচে তিউনিসিয়ার বিপক্ষে মাঠে নেমে সেই ফর্মের ধারাবাহিকতাই দেখাল এশিয়ার এই পরাশক্তি। ৪-০ গোলের বড় জয় তুলে নিয়ে গ্রুপের শীর্ষ দুইয়ে উঠে এলো জাপান। অন্যদিকে এই হারে বিশ্বকাপ থেকেই বিদায় নিতে হলো তিউনিসিয়াকে।

ম্যাচটা এমনিতেই স্পেশাল ছিল। বিশ্বকাপের ইতিহাসে এটি ছিল ১০০০তম ম্যাচ। এই ম্যাচে দলটি করেছে ৪টি গোল, বিশ্বকাপের কোনো ম্যাচে কোনো এশিয়ান দল কখনো ৪টি গোল করতে পারেনি, জাপানই প্রথম দল যারা এ কীর্তি গড়ল।

এই ইতিহাস গড়ার পথে শুরু থেকেই দুর্দমনীয় ফুটবল খেলেছে জাপান। তিন মিনিটের মধ্যেই এগিয়ে যায় ব্লু সামুরাইরা। বাঁ পাশ থেকে আক্রমণে উঠে কেইতো নাকামুরার পাস বক্সের জটলার মধ্যে খুঁজে নেয় দাইচি কামাদাকে। তার পা ছুঁয়ে বল চলে যায় তিউনিসিয়ার জালে।

প্রথম গোল করার পরও থেমে থাকেনি জাপান। দ্বিতীয় গোলের জন্য একের পর এক আক্রমণ চালিয়ে যায় তারা। নবম মিনিটের আক্রমণে ফল না এলেও দশম মিনিটে আবারও সুযোগ তৈরি হয়। কর্নার থেকে আসা বল তিউনিসিয়ার গোলরক্ষক ডাহমেন বিপজ্জনক এলাকা থেকে সরিয়ে দিলেও পুরোপুরি ক্লিয়ার করতে পারেননি। এরপর তোমিয়াসুর জোরালো শট প্রায় গোললাইন পেরিয়েই গিয়েছিল, তবে দারুণ গোলকিপিংয়ে সেটা ঠেকিয়ে দেন ডাহমেন।

৩১ মিনিটে অবশেষে দ্বিতীয় গোলের দেখা পায় জাপান। তিউনিসিয়ার রক্ষণের ভুলের সুযোগ নিয়ে গোল করেন আয়াসে উয়েদা। এই গোলে ব্যবধান দ্বিগুণ করে জাপান। দুই গোলের লিড নিয়েই বিরতিতে যায় দলটি।

দ্বিতীয়ার্ধে আরও দুটি গোল যোগ করে জাপান। হাইড্রেশন ব্রেকের একটু আগে মাঝমাঠ থেকে আসা রক্ষণচেরা পাসে বল পেয়ে যান জুনইয়া ইতো। ডিফেন্ডারদের পেছনে ফেলে গোলরক্ষককে ফাঁকি দিতে কোনো সমস্যা হয়নি তার। এতে তৃতীয় গোলের দেখা পায় জাপান।

৮৪ মিনিটে চতুর্থ গোলটি করেন উয়েদা নিজেই। ডান পাশ থেকে কাইশু সানোর ক্রসে মাথা ছুঁইয়ে দুই তিউনিসিয়ান ডিফেন্ডার আর গোলরক্ষকের মাথার ওপর দিয়ে বল জালে পাঠান তিনি। নিজের ম্যাচে দ্বিতীয় গোলের পাশাপাশি দলকে এনে দেন চতুর্থ গোল।

৪-০ গোলের দারুণ এক জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে জাপান। এই জয়ে গ্রুপের শীর্ষ দুইয়ে উঠে গিয়ে শেষ বত্রিশের আশা বাঁচিয়ে রাখল দলটি।

অন্যদিকে দুই ম্যাচে এক গোল আর দুই হার নিয়ে তিউনিসিয়ার বিশ্বকাপ যাত্রা শেষ হয়ে গেল এখানেই। দ্বিতীয় ম্যাচ শেষ হতেই নিশ্চিত হয়ে যায়, কোনোভাবেই আর তৃতীয় স্থানেও উঠতে পারবে না দলটি।

See More

Latest Photos