আগের সব নিয়োগ বাতিল করে নতুন করে ৮৬ জন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবং ১৭৯ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার আইন ও বিচার বিভাগের সলিসিটর অনুবিভাগ থেকে পৃথক আদেশে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে অ্যাটর্নি কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের পদত্যাগ চলে।
অ্যাটর্নি জেনারেল দপ্তরে আগের সবাই বাদ নতুন ৮৬ ডেপুটি ও ১৭৯ সহকারী,
এর মধ্যে ৮ অগাস্ট সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মো. আসাদুজ্জামানকে অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়, যিনি বর্তমানে আইনমন্ত্রীর দায়িত্বে রয়েছেন।
১৩ অগাস্ট আইনজীবী মুহাম্মদ আবদুল জব্বার ভুঞা, মোহাম্মদ আরশাদুর রউফ ও মোহাম্মদ অনীক রুশদ হককে অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ দেয় সরকার। এরপর ২৮ অগাস্ট ৬৬ জন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবং ১৬১ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগ দেয় অন্তর্বর্তী সরকার।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পরে গত ২৩ জুন অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের জামায়াতপন্থি হিসেবে ১৮ জন আইন কর্মকর্তা পদত্যাগ করেন। তাদের মধ্যে ছিলেন সাতজন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল (ডিএজি) এবং ১১ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল (এএজি)।
জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না হওয়া, বিচার বিভাগের জন্য পৃথক সচিবালয় গঠনে রাষ্ট্রের বিরোধিতা এবং সুপ্রিম কোর্টে বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ বাতিলের প্রতিবাদে তারা একযোগে পদত্যাগের কথা জানিয়েছিলেন।
অ্যাটর্নি জেনারেল দপ্তরের ওয়েবসাইটের তথ্যানুযায়ী, নতুন নিয়োগের আগে সবমিলিয়ে সেখানে ৯৩ জন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবং ২১৩ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল দায়িত্বে ছিলেন।
বর্তমান অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য, তিনি সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির তিন বারের সম্পাদক ছিলেন।
ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হলেন যারা
সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল হলেন যারা