মহেশখালীর দুই টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ ৭৩১ মিলিয়ন ঘনফুট পুরোদমে সচল সামিট,

Total Views : 8
Zoom In Zoom Out Read Later Print

এলএনজি সংকট যেন পিছু ছাড়ছে না কক্সবাজার জেলার মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের। সিডিউল অনুযায়ী আমদানি করা এলএনজিবাহী জাহাজ না আসায় টার্মিনাল দুটি থেকে পুরোদমে গ্যাস সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে না। এতে দেশে চলমান গ্যাস সংকট কাটছে না। এলএনজিবাহী একটি আসার পর দেশীয় সামিট পাওয়ার লিমিটেডের টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ বাড়ছে। অন্যদিকে পরবর্তী জাহাজ আসতে দেরি হওয়ায় মার্কিন কোম্পানির এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালের উৎপাদন কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। এতে করে দুটি টার্মিনালের সক্ষমতার পুরোটা কাজে লাগানো যাচ্ছে না। বৃহস্পতিবার ১১টা নাগাদ দুইটি টার্মিনাল থেকে ৭৩১ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছিল। সামিট থেকে মিলছিল ৫৭০ মিলিয়ন ঘনফুট। আর এক্সিলারেট থেকে মাত্র ১৬১ মিলিয়ন ঘনফুট। নতুন এলএনজিতে পুরোদমে সচল হয়েছে সামিট। আর এলএনজির মজুদ ফুরিয়ে আসায় কমছে এক্সিলারেটের গ্যাস সরবরাহ। গত শনিবার এলএনজিবাহী কার্গো আসলে পুরোদমে গ্যাস সরবরাহ দিতে শুরু করে এই টার্মিনাল। তখন সামিটের সরবরাহ কমিয়ে দেওয়া হয়। পরবর্তী জাহাজ না আসা পর্যন্ত এক্সিলারেট টার্মিনালে সরবরাহ কমিয়ে রাখা হবে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।


বুধবার বিকেলে সামিট পাওয়ার লিমিটেডের টার্মিনালে এলএনজি সরবরাহ শুরু হয়। ফলে সেখান থেকে গ্যাস সরবরাহ বাড়ছে। গতকাল রাত পৌনে ১২ নাগাদ এলএনজি সরবরাহ পুরোদমে চালু হলে গ্যাস সরবরাহ ৫৭০ মিলিয়ন ঘনফুটে উন্নিত হয়।

দুটি টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ পাওয়া যায় ১০০০-১১০০ মিলিয়ন ঘনফুট। কিন্তু এলএনজি সংকটে গত দেড় মাস ধরে সক্ষমতার পুরোটা পাওয়া যাচ্ছে না। এতে দেশে গ্যাস সংকট অব্যাহত রয়েছে।

See More

Latest Photos