জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের গৌরবোজ্জ্বল স্মৃতি, চেতনা এবং জনগণের মুক্তির আকাঙ্ক্ষাকে শিল্পের ভাষায় ফুটিয়ে তোলার লক্ষ্যে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির চারুকলা বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত আর্ট ক্যাম্পের সৃষ্ট শিল্পকর্ম নিয়ে বিশেষ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। গত ১৫ থেকে ১৭ জুলাই ‘ক্যানভাস ২৪: মুক্তির মহাকাব্য’ শিরোনামে এই তিন দিনব্যাপী আর্ট ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
শিল্পকলা একাডেমিতে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্মরণে তিন দিনব্যাপী আর্ট ক্যাম্পের চিত্রকর্ম প্রদর্শনী
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের গৌরবোজ্জ্বল স্মৃতি, চেতনা এবং জনগণের মুক্তির আকাঙ্ক্ষাকে শিল্পের ভাষায় ফুটিয়ে তোলার লক্ষ্যে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির চারুকলা বিভাগের উদ্যোগে একটি বিশেষ আর্ট ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়েছিল। গত ১৫ থেকে ১৭ জুলাই ‘ক্যানভাস ২৪: মুক্তির মহাকাব্য’ শিরোনামে তিন দিনব্যাপী এই আর্ট ক্যাম্পটি সম্পন্ন হয়েছিল।
গত ২৪ আগস্ট ২০২৬ (সোমবার) বিকেল ৫:০০ টায় জাতীয় চিত্রশালার ২ নম্বর গ্যালারিতে এই প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছিল।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তৎকালীন মন্ত্রী জনাব নিতাই রায় চৌধুরী, এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জনাব আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, এমপি এবং তথ্য ও সম্প্রচার ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পলিসি ও স্ট্র্যাটেজির উপদেষ্টা (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) ড. জাহেদ উর রহমান। এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের ডিন শিল্পী ও অধ্যাপক ড. মো. আজহারুল ইসলাম শেখ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন একুশে পদকপ্রাপ্ত প্রথিতযশা শিল্পী মনিরুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. আব্দুস সাত্তার এবং অধ্যাপক রোকেয়া সুলতানা। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব জনাব কানিজ মওলা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেছিলেন। এছাড়া স্বাগত বক্তব্য রেখেছিলেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক জনাব রেজাউদ্দিন স্টালিন এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছিলেন চারুকলা বিভাগের পরিচালক আব্দুল হালিম চঞ্চল।
প্রদর্শনীটির কিউরেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের অধ্যাপক শিল্পী রেজা আসাদ আল হুদা অনুপম ও শিল্পকলা একাডেমির চারুকলা বিভাগের পরিচালক আব্দুল হালিম চঞ্চল। সহকারী কিউরেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন মোসা: আয়শা নাজমিন।
আয়োজকরা জানিয়েছিলেন, দেশের ৫৬ জন প্রথিতযশা, বরেণ্য ও তরুণ শিল্পীর বাছাই করা শিল্পকর্ম নিয়ে প্রদর্শনীটি সাজানো হয়েছিল। সমকালীন শিল্পচর্চার ক্ষেত্রে এটি একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ আয়োজন হিসেবে বিবেচিত হয়েছিল।
প্রদর্শনীটি ২৪ আগস্ট থেকে ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছিল। প্রতিদিন সকাল ১১:০০টা থেকে রাত ৮:০০টা পর্যন্ত এবং শুক্রবার ও শনিবার দুপুর ৩:০০টা থেকে রাত ৮:০০টা পর্যন্ত গ্যালারি-২, জাতীয় চিত্রশালায় এটি প্রদর্শিত হয়েছিল।