রাজধানীর দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে শিরিন বেগম নামের এক নারীর খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় তাঁর স্বামী দুলাল হাওলাদারকে আটক করা হয়েছে। তিনি পেশায় সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক।
যাত্রাবাড়ীতে ব্যাগে নারীর চার টুকরা মরদেহ, স্বামী আটক
রোববার দিবাগত গভীর রাতে একটি ব্যাগ থেকে শিরিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, পারিবারিক কলহের জেরে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে। পরে মরদেহ চার টুকরা করে ব্যাগে রাখা হয় বলে পুলিশের ভাষ্য।
সন্দেহ ও পারিবারিক বিরোধের অভিযোগ
তদন্ত-সংশ্লিষ্ট পুলিশ সূত্রের বরাতে জানা গেছে, শিরিন দীর্ঘদিন মধ্যপ্রাচ্যে ছিলেন। দেশে ফেরার পর তিনি স্বামীর সঙ্গে দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী এলাকার একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করছিলেন।
পুলিশের ওই সূত্র জানায়, শিরিন অন্য কারও সঙ্গে মুঠোফোনে কথা বলেন—এমন সন্দেহ করতেন তাঁর স্বামী। এ নিয়ে গত দুই দিন ধরে তাঁদের মধ্যে বিরোধ চলছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে।
রোববার বাড়ির মালিক জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরে বাসা থেকে শিরিনের খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
হত্যার অভিযোগে স্বামী আটক
যাত্রাবাড়ী থানার পরিদর্শক এস এম মঈন উদ্দিন জানান, প্রাথমিকভাবে পারিবারিক কলহকে হত্যাকাণ্ডের সম্ভাব্য কারণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
পুলিশের তদন্ত-সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, শিরিনকে হত্যার পর তাঁর মরদেহের বিভিন্ন অংশ বিচ্ছিন্ন করে একটি ব্যাগে রাখা হয়েছিল। ব্যাগ থেকে মাথা, গলা ও দুই পা বিচ্ছিন্ন অবস্থায় পাওয়া যায় বলে সূত্রটি জানিয়েছে।
এ ঘটনায় দুলাল হাওলাদারকে আটক করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন বলে জানিয়েছে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও ঘটনার বিস্তারিত জানতে তদন্ত চলছে।