মালয়েশিয়ায় কমেছে ২৩ শতাংশযুক্তরাজ্যে রেমিট্যান্সে ৫৫ শতাংশ উল্লম্ফন,

Total Views : 25
Zoom In Zoom Out Read Later Print

বাংলাদেশের প্রবাসী আয়ের উৎসদেশগুলোর চিত্রে বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা দিয়েছে। সৌদি আরব এখনো বাংলাদেশের রেমিট্যান্সের সবচেয়ে বড় উৎস হলেও ইউরোপীয় দেশগুলো থেকে প্রবাসী আয় দ্রুত বাড়ছে। বিশেষ করে যুক্তরাজ্য থেকে এক বছরের ব্যবধানে রেমিট্যান্স বেড়েছে ৫৫ দশমিক ৪০ শতাংশ। বিপরীতে এশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ শ্রমবাজার মালয়েশিয়া থেকে রেমিট্যান্স কমেছে প্রায় ২৩ শতাংশ। একই সময়ে সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, কুয়েত ও ইতালি থেকেও রেমিট্যান্স বেড়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের এপ্রিল-জুন প্রান্তিকে দেশে মোট ৯৩৮ কোটি ৪৯ লাখ ৩০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। আগের জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে এসেছিল ৯৯৪ কোটি ৩২ লাখ ৮০ হাজার ডলার। ফলে এক প্রান্তিকের ব্যবধানে রেমিট্যান্স কমেছে ৫ দশমিক ৬২ শতাংশ। তবে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের একই প্রান্তিকের তুলনায় রেমিট্যান্স বেড়েছে ৯ দশমিক ৮৪ শতাংশ। শীর্ষে যথারীতি সৌদি আরব প্রবাসী আয়ের সবচেয়ে বড় উৎস হিসেবে সৌদি আরবের অবস্থান এখনো শীর্ষে। এপ্রিল-জুন প্রান্তিকে দেশটি থেকে বাংলাদেশে এসেছে ১৬৩ কোটি ৯৩ লাখ ৯০ হাজার ডলার। মোট রেমিট্যান্সের ১৭ দশমিক ৪৭ শতাংশ এসেছে সৌদি আরব থেকে।

তবে আগের প্রান্তিকের তুলনায় সৌদি আরব থেকে রেমিট্যান্স সামান্য কমেছে। জানুয়ারি-মার্চে দেশটি থেকে এসেছিল ১৬৬ কোটি ৯৬ লাখ ৫০ হাজার ডলার। ফলে প্রান্তিকভিত্তিক কমেছে ১ দশমিক ৮১ শতাংশ। তবে এক বছর আগের একই সময়ের তুলনায় প্রবাহ বেড়েছে ৯ দশমিক ৭৫ শতাংশ।বাংলাদেশের শ্রমবাজার হিসাবেও সৌদি আরব গুরুত্বপূর্ণ। এপ্রিল-জুন প্রান্তিকে বিদেশে যাওয়া মোট ১ লাখ ৬০ হাজার ২৮৩ বাংলাদেশি কর্মীর মধ্যে ৭৯ হাজার ৯১৬ জনই সৌদি আরবে গেছেন। অর্থাৎ মোট বিদেশগামী কর্মীর প্রায় অর্ধেকের গন্তব্য ছিল সৌদি আরব।

যুক্তরাজ্যে বড় উল্লম্ফন
রেমিট্যান্সের দ্বিতীয় বৃহত্তম উৎস যুক্তরাজ্য। এপ্রিল-জুনে দেশটি থেকে এসেছে ১৫৫ কোটি ৮৭ লাখ ৪০ হাজার ডলার। মোট রেমিট্যান্সের ১৬ দশমিক ৬১ শতাংশ এসেছে যুক্তরাজ্য থেকে।সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এক বছরের ব্যবধানে যুক্তরাজ্য থেকে রেমিট্যান্স বেড়েছে ৫৫ দশমিক ৪০ শতাংশ। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের এপ্রিল-জুনে দেশটি থেকে এসেছিল ১০০ কোটি ৩০ লাখ ৭০ হাজার ডলার। এক বছর পর তা বেড়ে ১৫৫ কোটি ৮৭ লাখ ডলারে দাঁড়িয়েছে।


শুধু বার্ষিক হিসাবেই নয়, আগের প্রান্তিকের তুলনাতেও যুক্তরাজ্য থেকে রেমিট্যান্স বেড়েছে। জানুয়ারি-মার্চের তুলনায় এপ্রিল-জুনে প্রবাহ বেড়েছে ৮ দশমিক ২৯ শতাংশ। ফলে সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের রেমিট্যান্সের অন্যতম দ্রুত বর্ধনশীল উৎস হয়ে উঠেছে যুক্তরাজ্য।



আমিরাত থেকে বেড়েছে ১২ শতাংশ
তৃতীয় বৃহত্তম উৎস সংযুক্ত আরব আমিরাত। এপ্রিল-জুনে দেশটি থেকে এসেছে ১১৭ কোটি ৬ লাখ ৭০ হাজার ডলার। মোট রেমিট্যান্সের ১২ দশমিক ৫৩ শতাংশ এসেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে।আগের বছরের একই প্রান্তিকের তুলনায় দেশটি থেকে রেমিট্যান্স বেড়েছে ১২ দশমিক ২৩ শতাংশ। আর জানুয়ারি-মার্চের তুলনায় প্রবাহ বেড়েছে ১৬ দশমিক ২০ শতাংশ। অর্থাৎ একদিকে বার্ষিক প্রবৃদ্ধি হয়েছে, অন্যদিকে সর্বশেষ প্রান্তিকেও দেশটি থেকে রেমিট্যান্সের প্রবাহ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।



যুক্তরাষ্ট্রে বছরে বাড়লেও প্রান্তিকে কমেছে
যুক্তরাষ্ট্র থেকে এপ্রিল-জুনে বাংলাদেশে এসেছে ৮১ কোটি ১৪ লাখ ২০ হাজার ডলার। মোট রেমিট্যান্সের ৮ দশমিক ৬৫ শতাংশ এসেছে যুক্তরাষ্ট্র থেকে।২০২৪-২৫ অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্র থেকে রেমিট্যান্স বেড়েছে ২ দশমিক ৩৬ শতাংশ। তবে আগের জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকের তুলনায় এপ্রিল-জুনে প্রবাহ কমেছে ১১ দশমিক ৫০ শতাংশ।অর্থাৎ যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেত্রে বার্ষিক হিসাবে রেমিট্যান্সের প্রবৃদ্ধি থাকলেও সর্বশেষ প্রান্তিকে আগের তিন মাসের তুলনায় কম অর্থ এসেছে।



মালয়েশিয়ায় প্রায় ২৩ শতাংশ পতন
রেমিট্যান্সের বড় উৎসগুলোর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য নেতিবাচক পরিবর্তন দেখা গেছে মালয়েশিয়ায়। এপ্রিল-জুনে দেশটি থেকে বাংলাদেশে এসেছে ৭০ কোটি ১২ লাখ ৩০ হাজার ডলার।এক বছর আগে একই সময়ে মালয়েশিয়া থেকে এসেছিল ৯১ কোটি ১৬ লাখ ডলার। ফলে এক বছরের ব্যবধানে রেমিট্যান্স কমেছে ২২ দশমিক ৯৬ শতাংশ।শুধু বার্ষিক হিসাবেই নয়, আগের প্রান্তিকের তুলনাতেও মালয়েশিয়া থেকে রেমিট্যান্সের বড় পতন হয়েছে। জানুয়ারি-মার্চে দেশটি থেকে এসেছিল ৯৫ কোটি ১২ লাখ ৮০ হাজার ডলার। সেখান থেকে এপ্রিল-জুনে কমেছে ২৬ দশমিক ২৯ শতাংশ।মালয়েশিয়া থেকে রেমিট্যান্স কমে যাওয়ার প্রভাব পড়েছে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চল থেকেও আসা মোট রেমিট্যান্সে।



এশিয়া-প্যাসিফিকে রেমিট্যান্স কমেছে
এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চল থেকে এপ্রিল-জুনে বাংলাদেশে এসেছে ১২০ কোটি ৬৭ লাখ ডলার। মোট রেমিট্যান্সের ১২ দশমিক ৮৬ শতাংশ এসেছে এ অঞ্চল থেকে।আগের বছরের একই প্রান্তিকের তুলনায় এ অঞ্চল থেকে রেমিট্যান্স কমেছে ৭ দশমিক ৭২ শতাংশ। আর আগের জানুয়ারি-মার্চের তুলনায় কমেছে ১৮ দশমিক ৫ শতাংশ।এই অঞ্চলের মধ্যে মালয়েশিয়া সবচেয়ে বড় উৎস হলেও দেশটি থেকে রেমিট্যান্সে বড় পতন হয়েছে। অন্যদিকে সিঙ্গাপুর থেকে প্রবাহ বেড়েছে।


সিঙ্গাপুর থেকে ২৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি
সিঙ্গাপুর থেকে এপ্রিল-জুনে এসেছে ৪১ কোটি ১০ লাখ ৭০ হাজার ডলার। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় দেশটি থেকে রেমিট্যান্স বেড়েছে ২৬ দশমিক ৯৭ শতাংশ।তবে আগের জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকের তুলনায় সিঙ্গাপুর থেকে প্রবাহ সামান্য কমেছে ১ দশমিক ৭২ শতাংশ।



ইতালি থেকেও রেমিট্যান্স বেড়েছে
ইউরোপের দেশ ইতালি থেকেও রেমিট্যান্সের প্রবাহ বেড়েছে। এপ্রিল-জুনে ইতালি থেকে এসেছে ৫১ কোটি ৮৭ লাখ ৫০ হাজার ডলার।আগের বছরের একই প্রান্তিকের তুলনায় দেশটি থেকে রেমিট্যান্স বেড়েছে ৯ দশমিক ৩৯ শতাংশ। আগের প্রান্তিকের তুলনায়ও বেড়েছে ২ দশমিক ৪৪ শতাংশ।অন্যদিকে জার্মানি থেকে এপ্রিল-জুনে এসেছে ৩ কোটি ৯৩ লাখ ডলার। এক বছরের ব্যবধানে দেশটি থেকে রেমিট্যান্স কমেছে ৬ দশমিক ১৮ শতাংশ। তবে আগের প্রান্তিকের তুলনায় জার্মানি থেকে প্রবাহ বেড়েছে ৮ দশমিক ২৫ শতাংশ।



ওমান থেকে বছরে বাড়লেও প্রান্তিকে কমেছে
ওমান থেকে এপ্রিল-জুনে এসেছে ৫১ কোটি ৬৬ লাখ ৪০ হাজার ডলার। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রবাহ বেড়েছে ২ দশমিক ৯৩ শতাংশ।তবে জানুয়ারি-মার্চের তুলনায় ওমান থেকে রেমিট্যান্স কমেছে ১১ দশমিক ২৩ শতাংশ। অর্থাৎ বার্ষিক হিসাবে প্রবৃদ্ধি থাকলেও সর্বশেষ প্রান্তিকে দেশটি থেকে রেমিট্যান্সের প্রবাহ কমেছে।


কুয়েত ও কাতারেও বার্ষিক প্রবৃদ্ধি
কুয়েত থেকে এপ্রিল-জুনে এসেছে ৪৬ কোটি ১৪ লাখ ডলার। এক বছরের ব্যবধানে রেমিট্যান্স বেড়েছে ৯ দশমিক ৩৫ শতাংশ। তবে আগের প্রান্তিকের তুলনায় কমেছে ৬ দশমিক ৯০ শতাংশ।কাতার থেকে এসেছে ৪০ কোটি ২৮ লাখ ৭০ হাজার ডলার। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় রেমিট্যান্স বেড়েছে ১২ দশমিক ৭৪ শতাংশ। তবে জানুয়ারি-মার্চের তুলনায় কমেছে ৩ দশমিক ১ শতাংশ।



বাহরাইন থেকে কমেছে প্রায় ২৪ শতাংশ
উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে বাহরাইন থেকে রেমিট্যান্সের বার্ষিক প্রবাহে বড় পতন হয়েছে। এপ্রিল-জুনে দেশটি থেকে এসেছে ১৭ কোটি ২৬ লাখ ২০ হাজার ডলার।আগের বছরের একই প্রান্তিকের তুলনায় বাহরাইন থেকে রেমিট্যান্স কমেছে ২৪ দশমিক ৪৫ শতাংশ। তবে আগের প্রান্তিকের তুলনায় সামান্য বেড়েছে ১ দশমিক ৩ শতাংশ।



অস্ট্রেলিয়ায় বড় বার্ষিক প্রবৃদ্ধি
অস্ট্রেলিয়া থেকে এপ্রিল-জুনে এসেছে ৭ কোটি ৪৭ লাখ ১০ হাজার ডলার। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রবাহ বেড়েছে ৪৫ দশমিক ৯৭ শতাংশ।তবে আগের জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকের তুলনায় অস্ট্রেলিয়া থেকে রেমিট্যান্স কমেছে ৪ দশমিক ১৭ শতাংশ।



জাপান থেকে দুই দিকেই পতন
জাপান থেকে এপ্রিল-জুনে এসেছে ১ কোটি ৯৭ লাখ ডলার। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় রেমিট্যান্স কমেছে ১২ দশমিক ৩৯ শতাংশ। আর জানুয়ারি-মার্চের তুলনায় কমেছে ২১ দশমিক ৩৫ শতাংশ।অর্থাৎ জাপানের ক্ষেত্রে বার্ষিক ও প্রান্তিক—দুই হিসাবেই রেমিট্যান্সের প্রবাহ কমেছে।



এপ্রিল-জুন প্রান্তিকে বাংলাদেশের মোট রেমিট্যান্সের সবচেয়ে বড় অংশ এসেছে উপসাগরীয় দেশগুলো থেকে। এ অঞ্চল থেকে এসেছে ৪৩৬ কোটি ৮৯ লাখ ৮০ হাজার ডলার, যা মোটের ৪৬ দশমিক ৫৫ শতাংশ।ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলো থেকে এসেছে ২১১ কোটি ৬৭ লাখ ৯০ হাজার ডলার, যা মোট রেমিট্যান্সের ২২ দশমিক ৫৬ শতাংশ।এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চল থেকে এসেছে ১২০ কোটি ৬৭ লাখ ডলার, যা মোটের ১২ দশমিক ৮৬ শতাংশ।অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে একক দেশ হিসেবে এসেছে ৮১ কোটি ১৪ লাখ ২০ হাজার ডলার।



পুরো অর্থবছরে ৩৫.৫৯ বিলিয়ন ডলার
২০২৫-২৬ অর্থবছরের পুরো সময়ে বাংলাদেশে রেমিট্যান্স এসেছে ৩৫৫৮ কোটি ৯৯ লাখ ৮০ হাজার ডলার বা প্রায় ৩৫ দশমিক ৫৯ বিলিয়ন ডলার। আগের অর্থবছরের তুলনায় এতে ১৭ দশমিক ৩৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।পুরো অর্থবছরে উপসাগরীয় দেশগুলো থেকে এসেছে ১ হাজার ৬২৪ কোটি ৮ লাখ ২০ হাজার ডলার। মোট রেমিট্যান্সে এ অঞ্চলের অংশ ৪৫ দশমিক ৬৩ শতাংশ।


এর মধ্যে সৌদি আরব থেকে এসেছে ৫৮৪ কোটি ৯ লাখ ৫০ হাজার ডলার। সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ৪২৪ কোটি ৭৫ লাখ ৬০ হাজার, ওমান থেকে ২০৪ কোটি ৮১ লাখ ৭০ হাজার, কুয়েত থেকে ১৭৬ কোটি ৩৭ লাখ ৮০ হাজার এবং কাতার থেকে ১৫৫ কোটি ৮৫ লাখ ৮০ হাজার ডলার এসেছে।ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলো থেকে পুরো অর্থবছরে এসেছে ৭২৭ কোটি ৬৪ লাখ ৫০ হাজার ডলার। এর মধ্যে যুক্তরাজ্য থেকেই এসেছে ৫০৭ কোটি ২০ লাখ ১০ হাজার ডলার এবং ইতালি থেকে ২০৫ কোটি ২১ লাখ ৬০ হাজার ডলার।এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চল থেকে পুরো অর্থবছরে এসেছে ৫২৫ কোটি ৪৮ লাখ ডলার। এর মধ্যে মালয়েশিয়া থেকে এসেছে ৩৪০ কোটি ৩৬ লাখ ৭০ হাজার এবং সিঙ্গাপুর থেকে ১৪৯ কোটি ৩৯ লাখ ২০ হাজার ডলার। যুক্তরাষ্ট্র থেকে এসেছে ৩০১ কোটি ৩১ লাখ ৯০ হাজার ডলার।



রেমিট্যান্সের উৎসে পরিবর্তনের ইঙ্গিত
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ পরিসংখ্যানের সামগ্রিক চিত্রে দেখা যাচ্ছে, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো এখনো দেশের রেমিট্যান্সের প্রধান ভিত্তি। তবে ইউরোপের কয়েকটি দেশ থেকে প্রবাহ দ্রুত বাড়ছে। বিশেষ করে যুক্তরাজ্য থেকে রেমিট্যান্স বৃদ্ধির হার উল্লেখযোগ্য।অন্যদিকে মালয়েশিয়া থেকে রেমিট্যান্সের বড় পতন এশিয়ার শ্রমবাজারনির্ভর আয়প্রবাহে ভিন্ন চিত্র তুলে ধরেছে। একইভাবে বাহরাইন ও জাপান থেকেও বার্ষিক রেমিট্যান্স কমেছে।


অর্থাৎ সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশের রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়লেও দেশভেদে এর গতি এক নয়। কোনো কোনো বাজার থেকে দ্রুত বাড়ছে প্রবাসী আয়, আবার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শ্রমবাজার থেকে কমছে। ফলে মোট রেমিট্যান্সের পাশাপাশি কোন দেশ থেকে কী হারে অর্থ আসছে—সেটিও এখন বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহ বিশ্লেষণে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

See More

Latest Photos